manoj tiwari
Highlights

  • নির্বাচন পর্ব শেষ হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মুখ খুলে বিস্ফোরণ ঘটালেন মনোজ তিওয়ারি
  • যারা এই ধরনের উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছিলেন, তাদের যেন চিরতরে নির্বাচন লড়ার থেকে বঞ্চিত করা হয়
  • একজনকে শাস্তি দিলে কিছুই হবে না। আর শাস্তি দেওয়ার কাজও আমার নয়

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন পর্ব শেষ হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মুখ খুলে বিস্ফোরণ ঘটালেন মনোজ তিওয়ারি। রাজধানীর বিজেপি প্রধান এক সাক্ষাৎকারে পষ্টাপষ্টি বলছেন, নেতাদের উস্কানিমূলক মন্তব্যই দিল্লি নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের অন্যতম এবং প্রধান কারণ। যারা এই ধরনের উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছিলেন, তাদের যেন চিরতরে নির্বাচন লড়ার থেকে বঞ্চিত করা হয়।

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের দলের নেতাদেরই কচুকাটা করেছেন মনোজ। তাঁর কাছে প্রশ্ন করা হয়, কপিল মিশ্র; যিনি কিনা বলেছিলেন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করবেন। বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, যিনি ‘দেশ কে গদ্দারো কো’ স্লোগান তুলে পরোক্ষে গুলি চালানোর উস্কানি দিচ্ছিলেন, তাদের কেন টিকিট দেওয়া হল বা নির্বাচনী প্রচারে শামিল করা হল। উত্তরে তিনি বলেন, ‘ওনারা যখন এই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তখন আমি পুরোপুরি জানতে পারিনি বিষয়টা। পরে জানার পর মনে হয়েছে, এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য যারা করেন তাদের চিরতরে বহিষ্কার করে দেওয়া উচিত।’

মনোজের দাবি, এমন একটা সিস্টেম তৈরি হওয়া উচিত যাতে কেউ এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য করলে তাদের সাংবিধানিক মান্যতাই খারিজ করে করে দেওয়া যায়। যদি এই ধরনের কোনও সিস্টেম তৈরি হয় তবে তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এর সমর্থন করবেন বলে জানান। মনোজের এই আত্ম সমালোচনা অনেক প্রশ্নের উত্থাপন করে। যদি তিনি ‘বাস্তব’ বুঝেই থাকেন তবে দলের ‘সেই’ নেতাদের শাস্তি দিচ্ছেন না কেন? এখানেই পিছিয়ে গিয়ে মনোজ বলেন, ‘একজনকে শাস্তি দিলে কিছুই হবে না। আর শাস্তি দেওয়ার কাজও আমার নয়। এটা আইনের কাজ।’ এরপরই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ওদের তো জনগণই শাস্তি দিয়ে দিয়েছে, এরপর নিয়ম তৈরি হওয়া উচিত।’

এখানেই মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, সপ্তাহখানেক আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি অনুষ্ঠানে এসে নিজেই স্বীকার করেছিলেন, কিছু নেতারা নিজেদের বক্তব্যে হিংসা ছড়ানোর জন্যই ‘সম্ভবত’ তাদের নির্বাচন হারতে হয়েছে। এবার দিল্লি বিজেপি সভাপতিও কার্য একই সুরে কথা বললেন। তবে মধ্যম স্তরের নেতাদের জনগণ শাস্তি দিয়ে দিলেও, বিজেপির যেসব রথি-মহারথিরা উস্কানিমূলক বক্তব্য পেশ করেছেন তাদের বেলায় কে শাস্তি দেবে? কীভাবেই বা তাদের শাস্তি হবে? আম জনতা সেই প্রশ্নের জবাবই খুঁজে চলছে।

,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here