ডেস্ক: নিজের বাল্যবিবাহ বাতিল করার দাবিতে রাজস্থানের এক তরুণী যোধপুর কোর্টের দ্বারস্থ হলেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনা উঠে এলো রাজস্থানের যোধপুর থেকে। মাত্র ৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় ওই তরুণীকে। তাঁর নাম পিন্টু দেবী। বর্তমানে তাঁর বয়স ১৮ বছর। এখন সে তাঁর স্বামীর থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইছে। যোধপুর আদালত ওই তরুণীর আবেদন মঞ্জুর করেছে। সেই মতো তাঁর স্বামীকে নোটিসও পাঠানো হয়েছে।

পিন্টু দেবী জানান যে, খুব ছোটবেলায় তাঁর বিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে অপরাধ জগতের যোগ আছে বলে দাবী করেছেন ওই তরুণী। এছাড়া আরও অনেক কারণে সে তাঁদের সঙ্গে থাকতে চান না বলে আদালতে জানান তিনি। সারথি নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহায়তায় আদালতে তাঁর এই আর্জি গৃহীত হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০০৬ সালে জোর করে বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েটির বাপের বাড়িকে প্রায়শই বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সে এতদিন শ্বশুরবাড়িতে জোর করে থাকতে বাধ্য হলেও এখন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সেখানে থাকতে এখন ওই তরুণী নারাজ। তাই এই সংস্থা এরকম পিন্টু দেবীর মতন আরও অনেক বেআইনিভাবে বাল্যবিবাহ হয়ে যাওয়া মেয়েদের উদ্ধার করে তাদের নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here