kolkata bengali news

kolkata bengali news

ম্যাথু স্যামুয়েল

আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় পি চিদম্বরম এবং বাকিদের বিরুদ্ধে গঠন হওয়া সিবিআই চার্জশিট আমিও দেখলাম। কিন্তু, নিম্ন আদালতে বিচারের কোনও প্রাসঙ্গিকতা বা প্রভাব এতে দেখতে পাওয়া যায়নি। যার পিছনে সম্ভবত এটাও একটা কারণ হতে পারে যে, চার্জ গঠন হওয়ার সময় বা বিচার শুরু হওয়ার আগেই চিদম্বরমকে অভিযোগমুক্ত পারতো নিম্ন আদালত।

যদি এটা না হয় তাহলে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে পুরো মামলাটাই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যেতে পারে। যেখানে প্রমাণের অভাব এবং অন্যান্য গুরুতর বিষয় উত্থাপন হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। বিশেষত, সিবিআই যে কড়া মনোভাব নিয়ে চিদম্বরমের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কেননা নিম্ন আদালত কিন্তু অভিযোগের স্বপক্ষে সবসময় পোক্ত প্রমাণ চেয়ে থাকে।

বর্তমানে চিদম্বরমের বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা চলছে সবগুলোই একটা মিটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে। কেন্দ্রে তিনি অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন তা নর্থ ব্লকে হয়েছিল, যেটার আবার কোনও প্রমাণ নেই। শিনা বোরা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইন্দ্রাণী ও পিটার মুখার্জির জবানবন্দিকে ভিত্তি করেই মূলত সিবিআই তাদের যুক্তি সাজিয়ে নিয়েছে। যদিও সিবিআইয়ের কিছু বরিষ্ঠ আধিকারিক আমায় বলেছেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটের কাছে আরও বহু প্রমাণ রয়েছে। দেশে এবং বিদেশে পালানিয়াপ্পান নামক এক ব্যক্তির নামে, চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনি এবং আত্মীয়দের নামে প্রচুর বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে সিবিআই।

ইডি আবার তল্লাশি চালিয়ে দাবি করেছে যে চিদম্বরম এবং তাঁর পরিবার সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া, ইংল্যান্ডের সহ আরও অনেক দেশে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি মজুদ করে রেখেছে। যেই সম্পত্তির বেশিরভাগ কোথা থেকে এল সেই তথ্যও কেউ দিতে পারেনি। যে কারণে স্ত্রী নলিনি চিদম্বরমকে গ্রেফতার করেই চিদম্বরম পরিবারের বিরুদ্ধেও গুরুতর আইনি প্রক্রিয়া চালানো শুরু করা হতে পারে।

তামিলনাড়ুতেও কিন্তু চিদম্বরমের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে খুব একটা সহানুভূতি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কতটা কোণঠাসা তা এর থেকেই অনুমান করা যায় যে কংগ্রেসের অন্যতম স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও না তাঁর দল, না তামিলনাড়ুর কংগ্রেসকে তাঁর পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। কারণ, প্রদেশ কংগ্রেসে তিনি নিজেই তাঁর মনোনীত একমাত্র প্রধান। তাই দলীয় সমর্থকদেরও সমর্থন হারা হয়েছেন চিদু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here