kolkata bengali news

ডেস্ক: রাজ্যবাসীর সুবিধার্থেই ও জনগণের ইচ্ছাতেই উত্তরপ্রদেশের একাধিক জায়গায় হাতির মূর্তি বসিয়ে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার মূর্তি ইস্যুতে আদালতের কোণঠাসা হওয়ার পর এমনই জবাব দিলেন বসপা প্রধান মায়াবতী। তবে কলেজ, হাসপাতালের পরিবর্তে মূর্তিকে রাজ্যবাসীর যে কী সুবিধা তা অবশ্য জানা যায়নি। ২০০৭ থেকে ২০১২ ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজ্যের একাধিক জায়গায় নিজের দলের প্রতীক হাতির মূর্তি বসেছিলেন বসপা প্রধান মায়াবতী। জনগণের করের টাকায় এহেন মুর্তি বসানোর জন্য মায়াবতীর বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয় মামলা। এদিন সেই মামলার শুনানিতে হলফনামা দিয়ে নিজের জবাব এভাবেই দিলেন বসপা প্রধান।

২০০৭ থেকে ২০১২ এই সময়টাতে উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী হন দলিত নেতা মায়াবতী। তবে ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি প্রায় ২হাজার ৬০০ কোটি টাকার খরচ করে দলের প্রতিষ্ঠাতা কাঁসিরাম ও দলের প্রতীক হাতির মূর্তি বানিয়ে ছিলেন তিনি। জনগণের করের টাকায় এহেন দুর্নীতির জন্য মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিমকোর্টের রঞ্জন গগৈ-এর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, প্রয়োজন হলে ওই মূর্তির টাকা ফেরত দিতে হবে মায়াবতীকে। তবে তার আগে মায়াবতীর জবাব কী তা জানতে চায় আদালত। সেই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার মায়াবতীর তরফে জবাব পাঠানো হয় আদালতকে। যেখানে মায়াবতী জানান, জনগণের ইচ্ছাতেই বসেছিল এই মূর্তি। রাজ্য বিধানসভা তাঁদের দলিত নেত্রীকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন আমি কীভাবে তাঁদের বিরুদ্ধাচরণ করতে পারি। তাছাড়া ওই মূর্তি বসানোর জন্য নিয়ম মেনে আদালতে বাজেট পেশও করা হয়। তবে মায়াবতীর এহেন জবাবের প্রেক্ষিতে আদালত কী বলে সেটাই এখন দেখার।

তবে আদালতকে দেওয়া জবাবে দলিত ইস্যুকেও হাতিয়ার করতে ছাড়েননি মায়াবতী তাঁর কথায়, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এদের মূর্তি বসলে সমস্যা নেই, অথচ শুধু একজন দলিত নেতার মূর্তি বসলে সমস্যা। কাঁসিরাম ইস্যুতে মায়াবতীর এহেন জবাব থাকলেও। হাতির মূর্তি ইস্যুতে তাঁর মত, শুধুমাত্র স্থাপত্য কলার নিদর্শন হিসাবেই বসানো হয়েছে হাতি মূর্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here