ডেস্ক: আঞ্চলিক দলগুলির সাহায্য ছাড়া যে মোদীর বিজয়রথ আটকানো সম্ভব না সেকথা আর বুঝতে বাকি নেই কারও। আর জাতীয় শক্তি কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলিকে ছাড়া যে ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনের পথে হাঁটবে না তাও টের পেয়েছেন বিরোধীরা। এই সুযোগ নিয়ে এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জোটের পথে হাত বাড়াতে রাজি হলেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। কিন্তু একই সঙ্গে কংগ্রেসের সামনে একগুচ্ছ শর্তও পেশ করে রাখলেন তিনি।

মায়াবতীর কথায়, সম্মানজনক অবস্থান পেলে তবেই বিজেপি বিরোধী জোটের অংশ হবেন তিনি। সম্মান বলতে অবশ্য রাজনীতিতে একটাই বিষয় বোঝায়, তা হল আসনের সমঝোতা। বিএসপি নেত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে যদি তাঁকে যথেষ্ট আসন দেওয়া হয় তবেই তিনি সামিল হবেন এই জোটে। অন্যথায় একা লড়তে যে তিনি ভয় পান সে কথাও জানান মায়াবতী।

এই সমঝোতার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পরিবারতন্ত্র নিয়েও কংগ্রেসকে খোঁচা দেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের ভাই আনন্দ কুমারকে বিএসপির সহ সভাপতি পদ থেকেও সরিয়ে দিয়েছেন তিনি। কারণ, তাঁর ভাইকে সভাপতি পদ দেওয়ার ক্ষোভে দল ত্যাগ করেছিলেন একাধিক বিএসপি বরিষ্ঠ নেতারা। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না চলে যায় সেই কারণে দলের রাশ নিজের হাতে রাখতে চাইছেন বিএসপি নেত্রী।

অন্যদিকে আঞ্চলিক দলগুলিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে টিডিপি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুও। তিনি জানান, আঞ্চলিক দলগুলির সাহায্য ছাড়া ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে জমি পাবে না কংগ্রেস। পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদীর ৪ বছরের রাজত্বকাল সম্পূর্ণ হওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নোটবন্দির পদক্ষেপকে আক্রমণ করেন তিনি। এই পদক্ষেপকে ব্যর্থ আখ্যা দেন চন্দ্রবাবু নাইডু।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here