news kolkata

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা: চলছে লকডাউন। করোনা ঠেকাতে গিয়ে অসুবিধায় পড়েছেন বিভিন্ন অসহায়, দু:স্থ ও রোগীর পরিবার। তাঁদের সাহায্যের জন্যই হাত বাড়িয়ে দিলেন মেয়র পারিষদরা।

বিভিন্ন জায়গার খণ্ড খণ্ড চিত্রে উঠে এল মানবিকতার দৃষ্টান্ত। মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদেরা। সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিলেন খাবার। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হল ভাত, ডাল, সবজি, রুটি, ডিম। শনিবার সাধারণ মানুষের জন্য এই উদ্যোগ নেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার ও মেয়র পারিষদ দেবাশীষ কুমার।

এদিন ফুলবাগান বিধানচন্দ্র রায় হাসপাতালে খাবার বিতরণ করেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার। এই খাবার বিতরণ করা হয় রোগীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। দেওয়া হয় ভাত, ডাল, সবজি, ডিম সেদ্ধ। স্বপন সমাদ্দার ও স্থানীয় ক্লাব কাঁকুড়গাছি অভিযান সংঘের উদ্যোগে চলে এই বিতরণ পর্ব। স্বপন সমাদ্দার বলেন, ‘এদিন ৩০০ জনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৬০ জন খেয়েছেন । প্রাথমিকভাবে ৭ দিন এই খাবার দেওয়া হবে। সময় সীমা বাড়ানো হবে কী না তা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে হাসপাতালের আশেপাশে খাবার দোকান বন্ধ। ফলে অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন রোগীর পরিবারে। তাঁদের জন্যই বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হল।

অন্যদিকে এদিন ৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে রুটি বিতরণ করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশীষ কুমার। ‘রুটি অন হুইল’ এই পদ্ধতিতে চলে বিতরণ। এদিন রুটির সঙ্গে তরকারিও দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে শুধুমাত্র ওই ওয়ার্ডের জন্যই নয়, আশপাশের ওয়ার্ডের থেকেও কেউ এলে তাঁকেও দেওয়া হয়েছে রুটি। দেবাশীষ কুমার বলেন, ‘বর্তমানে অনেকেই বাইরে থেকে রুটি কিনে খান। লকডাউন পরিস্থিতিতে তাঁদের অসুবিধা হয়ে পড়েছে। তাই তাঁদের সুবিধার্থে রুটি তরকারি বিতরণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত লকডাউন চলবে ততদিন এই ভাবে রুটি বিতরণ করা হবে।’ বেলা বারোটা থেকে ত্রিধারায় চলে এই রুটি বিতরণ। পরে কালী মন্দির সহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরে ‘রুটি মেকার’।

তবে হাসপাতালেই হোক বা ওয়ার্ডে, প্রত্যেক জায়গাতেই এদিন মেনে চলা হয় সোশ্যাল ডিসটেন্স। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই এদিন খাবার বিতরণ চলে এই দুই জায়গায়। এছাড়াও যাঁরা খাবার বিতরণ করছিলেন প্রত্যেকেই ব্যবহার করেছেন মাস্ক ও গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here