ডেস্ক: ভোট প্রচারে নরেন্দ্র মোদী শুরু করেছেন ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ ক্যাম্পেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় দলের বহু নেতা-মন্ত্রীরা তাঁদের নামের আগে ‘চৌকিদার’ উল্লেখ করেছেন। অমিত শাহ, পীয়ূষ গোয়েল থেকে শুরু করে বাংলার বিজেপি নেতা মুকুল রায়, সকলেই ইতিমধ্যে নাম ‘বদলে’ ফেলেছেন। মুকুল রায়ের নাম বদলানো নিয়েই এবার তাঁকে খোঁচা দিলেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। লোকসভা নির্বাচনে বামেদের আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশে দেখা গেছে রায়গঞ্জ থেকে লড়ছেন সেলিম। প্রার্থী হওয়ার পর প্রথম জনসভা থেকেই বিজেপি তথা মুকুল রায়কে তোপ দাগলেন তিনি।

জনসভা থেকে সেলিম বলেন, এই বিজেপিই বলেছিল মুকুল রায় চোর, ‘ভাগ মুকুল ভাগ’। এখন সেই ‘চোর’ মুকুল রায়ই বিজেপির চৌকিদার। বোঝা যাচ্ছে যে দলটার কী অবস্থা। বিরোধী দলে থাকাকালীন যে চোর ছিল সেই আজ চৌকিদার হয়ে যাচ্ছে। তারাই নাকি দুর্নীতির বিপক্ষে লড়বে, এই বলে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন মহম্মদ সেলিম। তবে শুধু বিজেপিকে নয়, তৃণমূল সরকারকেও একহাত নেন তিনি। বলেন, লুটের এবং চিটফান্ডের টাকা নিয়েই সব চলছে। মানুষের থেকে টাকা টুরি করে তা ভোটে খরচ করবে তৃণমূল। একদিকে চুরি করবে, অন্যদিকে দিল্লি গিয়ে দলবদল করবে! এভাবেই কতলোক চৌকিদারে পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য, এই জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, সিপিআই-এর প্রাক্তন মন্ত্রী শ্রীকুমার মুখার্জি, আরএসপি-র বিশ্বনাথ চৌধুরিসহ অন্যান্য বাম নেতা-কর্মীরা।

 

প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ নিয়ে বাম-কংগ্রেস সংঘাতে চাপা উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। রায়গঞ্জ কেন সিপিএম-কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রকেও। তবে গতকালই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, হাইকম্যাণ্ডের নির্দেশেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এও জানিয়ে দেওয়া হয়, বামফ্রন্টের সঙ্গে কোনও জোট নয়, বাংলায় একাই লড়বে কংগ্রেস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here