kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : নদী পার হতে এখনও বাংলার মানুষ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করেন। এটাই মুগ্ধ করেছে বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মেধা পাটকরকে। বৃহস্পতিবার তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরে পরিদর্শনে আসেন। সেখানেই দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা আত্রেয়ী পার হচ্ছেন সাঁকোর সাহায্যে। বাংলার এই উদ্ভাবনী শক্তি দেখে যারপরনাই খুশি মেধা।

দক্ষিণ ভারতের লাইফ লাইন নর্মদা বাঁচাতে দীর্ঘ আন্দোলন করেছেন মেধা। শুধু নর্মদা নয়, যেখানেই নদী কিংবা পরিবেশের ক্ষতি করার চেষ্টা হয়েছে, সেখানেই ছুটে গিয়েছেন এই পরিবেশপ্রেমী। স্থানীয়দের নিয়ে কোথাও আন্দোলন করেছেন, কোথাওবা পরিবেশ বাঁচাতে বসেছেন অনশনে। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের কৃষক মহা পঞ্চায়েতে আসেন মেধা। সেখানেই দেখেন রঘুনাথপুর-কালিকাপুরের মানুষ জেলার লাইফ লাইন আত্রেয়ী পার হচ্ছেন বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে। আত্রেয়ী পরিদর্শনের পাশাপাশি এদিন মেধা কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গেও।

দক্ষিণ দিনাজপুর পরিদর্শনে এসে মেধা তুমুল সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, যে তিন কৃষি আইন এনেছে মোদি সরকার, তার কোনওটিতেই খাদ্যশস্যকে জরুরি পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। মোদি সরকারের প্রধান বিষয় হল পয়সা, পয়সা, পয়সা। যে পয়সা আম্বানি-আদানিদের কাছ থেকে আসে। ওঁদের সরকার গরিব মানুষের জমি কেড়ে নেয়।

মোদির পাশাপাশি মেধা তৃণমূল নেত্রীরও মৃদু সমালোচনা করেন। মেধা বলেন, মমতা দিদিও মাঝে মাঝে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তবে বাংলায় জমি অধিগ্রহণ আটকে দিয়েছেন তিনি। বাংলায় কেন্দ্রীয় সরকার স্মার্ট সিটি হতে দেননি। ইন্দোরে গিয়ে দেখুন, স্মার্ট সিটি গড়তে গিয়ে শতবর্ষ প্রাচীন বস্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে।
মমতার সরকার মানুষের সঙ্গে এমন অন্যায় হতে দেননি বলেও মন্তব্য করেন মেধা।  

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here