মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভারতীয়দের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই আমাদের জন্য সবার আগে। করোনার ভ্যাকসিন প্রকাশের দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়ার পর কিছুটা ব্যাকফুটে এসে এই দাবি করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)।

ভারত বায়োটেক নামক সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে আগামী ১৫ অগাস্ট ভারতের করোনা ভ্যাকসিন আনার কথা আগেভাগে ঘোষণা করে দেয় আইসিএমআর। কিন্তু সরকারি মেডিক্যাল বডির এই সিদ্ধান্ত অভিজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক এবং বিরোধীদেরও রোষানলের মুখে পড়ে। এভাবে তাড়াহুড়ো করে আগে থেকে দিনক্ষণ ঘোষণা করে আর যাই হোক, ভ্যাকসিন আবিষ্কার সম্ভব নয় বলেই তারা জানান। বিরোধীদের তরফে এই দাবিও করা হয় যে বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলে দেওয়ার উদ্দেশে এহেন কাজ করছে সরকার।

বিষয়টি নিয়ে ক্রমশ জল ঘোলা হতে দেখে এবার পাল্টা বিবৃতি দিতে হল আইসিএমআরকে। প্রসঙ্গত, আইসিএমআর-র ডিজি বলরাম ভাগবত একটি চিঠি লিখেছিলেন ১২ জন হাসপাতালের চিকিৎসকদের। যেখানে রীতিমতো ৬ সপ্তাহের মধ্যে ওই ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল সহ মানব শরীরে ট্রায়াল শেষ করতে বলা হয়েছিল। যা এক প্রকার অবাস্তব।

এই চিঠিকেই সমর্থন করে এদিন পাল্টা আইসিএমআর জানায়, কোনও চিকিৎসককে ভ্যাকসিন আবিস্কারের জন্য তাগদা দেওয়া হয়নি। বরং যাতে ‘লাল ফিতের ফাঁসে’ অথযা সময় নষ্ট না হয়; এবং কোনও প্রক্রিয়া বাদ না দিয়েই যাতে স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ দ্রুত গতিতে হয় তাই সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার আইসিএমআর-র বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘ঠিক যেভাবে করোনা জন্য ব্যবহৃত দেশীয় টেস্টিং কিটগুলির দ্রুত অনুমোদন এবং বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে লাল ফিতের ফাঁস বাধা হয়ে উঠতে পারেনি, একইভাবে দেশীয় ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রেও কোনও ধরনের বিলম্ব থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রক্রিয়াটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পূর্ণ করা, যাতে মানব শরীরে ট্রায়াল দ্রুত শুরু করা যায়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here