ডেস্ক: পড়ুয়াদের অনশন ১৩ দিনে পা দিলেও রফাসূত্র বেরোচ্ছে না মেডিকেল কলেজে। সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে হস্টেলের দাবি যেন কিছুতেই পূরণ করতে নারাজ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উচ্ছ্বল ভদ্র পড়ুয়াদের সঙ্গে গতকাল বৈঠক করে সুরাহার আশ্বাস দিলেও ‘উপর মহল’-এর গ্রিন সিগন্যাল ছাড়া যে পুরনো ছাত্রদের তিনি হস্টেল দিতে পারবেনা না এ কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

অন্যদিকে, টানা ১২ দিন অনশনের ফলে গতকাল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে দেবাশিস বর্মন নামের এক পড়ুয়া। তাঁর শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয় যে ইমারজেন্সিতে দাখিল করতে হয় দেবাশিসকে। মেডিকেলে চলা এই অনশন ও সরকারের নীরব ভুমিকার প্রতিবাদে এদিন কলেজ স্কোয়ারে বিদ্যাসাগর মূর্তির পাদদেশ থেকে মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসএফআই।

গতকাল বৈঠকের পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উচ্ছ্বল ভদ্র জানান, নতুন হস্টেলের ৩টি তল বরাদ্দ হয়েছে পুরনো ছাত্রদের জন্য। কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে নতুন হস্টেলের তিনটি তলা পুরনো ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে একথা লিখিতভাবে জানান তিনি। তবে তাঁর ‘উপর’ যে বা যারা রয়েছেন, তাদের সম্মতি না পাওয়া পর্যন্ত নতুন হস্টেলে পুরনো ছাত্রদের ঢোকানো সম্ভব নয়। এমনটাও জানিয়েছেন উচ্ছ্বলবাবু।

আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালের এখন কার থেকে সম্মতি প্রয়োজন? কার গ্রিন সিগন্যাল পেলে তবে পুরনো ছাত্রদের নতুন হস্টেলে থাকতে দিতে পারবেন তিনি। অনশনরত পড়ুয়াদের শারীরিক অবস্থার লাগাতার অবনতি হলেও সেসব প্রশ্ন এখনও অধরা। না খেয়ে হবু ডাক্তাররা ইতিমধ্যেই ১২ দিন কাটিয়ে ফেলেছে। আর কতদিন কাটলে তাদের এই সমস্যার সমাধান করা হবে বা প্রশাসনের কবে ঘুম ভাঙবে এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্যবাসী।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here