kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে শীতকালে হবে  ব্রিগেড। বিশাল এই মাঠেই ফের একবার হবে মহাগোট বন্ধন! সভায় উপস্থিত থাকতে আহ্বান জানানো হবে কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধি এবং বর্ষীয়ান এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারকে। দিল্লিতে বিজেপি-বিরোধী জোট গড়তে তিনি যে অগ্রণী ভূমিকা নেবেন, এদিন একুশের মঞ্চেই তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ads

ঊনিশের লোকসভা নির্বাচনে খাদের কিনারায় চলে যাওয়া তৃণমূলকে টেনে তোলার নেপথ্য কারিগর ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। সেই পিকের সঙ্গেই ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত চুক্তি করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এই সময়সীমার মধ্যেই রয়েছে ২০১৪এর লোকসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিজেপিকে দেশছাড়া করার অঙ্গীকার এদিন একুশের মঞ্চেই করেছেন মমতা।

সেই লক্ষ্যেই বিজেপি-বিরোধী জোট গড়তে পিকে তিনবার বৈঠক করেছেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার সহ আরও কয়েকজন আঞ্চলিক দলের নেতার সঙ্গে। পাওয়ার পিকে-কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে তৃতীয় বিকল্পের ধারণা শূন্যে সৌধ নির্মাণের শামিল। কারণ, দুর্বল হলেও, এ দেশের সব প্রদেশেই সংগঠন রয়েছে একমাত্র কংগ্রেসেরই। এর পরেই পিকে বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি, প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরা এবং বেণুগোপালের সঙ্গে।

তৃতীয় ফ্রন্ট গড়তে যে কংগ্রেস এবার শরদ পাওয়ারকে প্রয়োজন, তা বুঝেছেন মমতাও। তাই এদিন একুশের ভার্চুয়াল সভায় তিনি জানান, আগামী শীতে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সভা হবে ব্রিগেডে। সেই সভায় কংগ্রেসের সর্বময় কর্ত্রী সনিয়া গান্ধি এবং এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারকে আহ্বান জানানো হবে বলেও জানান তৃণমূল নেত্রী। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পাওয়ারের সঙ্গে দেশের প্রায় সবকটি আঞ্চলিক দলের সম্পর্ক ভালো। তাই তাঁকেই সামনে রেখে আরও একবার তৃতীয় ফ্রন্টের ঐক্যে শান দিতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বলে ইতিমধ্যেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন মা-মাটি-মানুষের দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।     

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here