ডেস্ক: কোনও লড়াই নয়, মানুষের জন্য কাজ করায় বিশ্বাসী। প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশ্য প্রণাম জানিয়ে লোকসভার মহাযুদ্ধকে সৌহার্দ্যতার বাধনে বেঁধে দিলেন মিমি। লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর মমতার প্রার্থী তালিকায় অন্যতম দুই চমক ছিলেন টলিকন্যা নুসরত ও মিমি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে বিভিন্ন ধরণের মিমে। তবে সে সবকে বিশেষ পাত্তা না দিয়ে লোকসভার লড়াইয়ে নামলেন মিমি চক্রবর্তী। অবশ্য এটাকে লড়াই বলে মানতে নারাজ যাদবপুরের প্রার্থী। ভালো করে প্রচারে নামার আগেই অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশ্যে সৌজন্যতা প্রকাশ করলেন তিনি।

মঙ্গলবার মহানগরকে দেওয়া মিমির একান্ত সাক্ষাৎকারে মিমিকে প্রশ্ন করা হয়, যাদবপুর থেকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এবার সিপিএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তো সেই জায়গা থেকে লড়াইটাকে কীভাবে দেখছেন টলিকন্যা মিমি। কোনও রকম রাখঢাক না রেখে মিমির উত্তর, ‘সবার আগে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী যিনি তিনি আমার গুরুজন। উনি যে কাজটা করছেন সেই কাজে উনি পারদর্শী। ওই জায়গাটাকে অনেক ভালো করে চেনেন। ওনাকে আমি প্রণাম। এবং এটাই বলব যদি কোনও ভুল ত্রুটি হয় তবে উনি যেন ক্ষমা করেন। আমি ওনার মেয়ের বয়সী, মেয়ের চেয়েও ছোট। ওনার সঙ্গে আলাপ করার ইচ্ছা রয়েছে আমার, সুযোগ পেলে অবশ্যই আলাপ করব। দ্বিতীয়ত, আমি কোনও যুদ্ধ লড়তে আসিনি। এখানে আমার আসার লক্ষ্য একটাই, কাজ করতে চাই। সবার সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থেকে সমস্যা সমাধান করতে চাই। মানুষ যদি আমায় সেই সুযোগটা করে দেয়, তবে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।’

পাশাপাশি, প্রার্থী হিসাবে এবার মিমির নাম ঘোষণার পর কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর জবাব ছিল, কোথায় সুগত বসু আর কোথায় মিমি। সৌজন্যতা বজায় রেখেই এদিন তাঁর উত্তর দিলেন মিমি চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘যিনি বলেছেন তিনিও আমার গুরুজন। আমি হয়ত তাঁর মেয়ে নই, মেয়ের চেয়েও ছোট। উনি কি বলেছেন আমি জানি না। সুগত বসু একজন অধ্যাপক। ওনার সঙ্গে আমার কোনও তুলনা হয় না। উনি কাজের সূত্রে ওখানে চলে গেছেন। আমি এখানে থাকি, তাই হয়ত মানুষের কাছে আরও একটি তারাতারি পৌঁছে যেতে পারব।’

অন্যদিকে, রাজনীতি ও সিনেমা দুই আলাদা মেরুকে সমান তালে সামলে নেওয়ার বিষয়েও যথেষ্ট আশাবাদী মিমি চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘সিনেমা আমার ভালবাসা, প্যাশন। সিনেমার জন্যই আমি আজ এই জায়গায়। আমার মনে হয় না কোনও জিনিস করতে গেলে কোনও জিনিসের ক্ষতি হয়। ব্যালেন্স করে সব সময়ই চলা যায়, হ্যাঁ যদি সেই মানুষটা চায় ব্যালেন্স করে চলতে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here