bangla news kanthi

মহানগর ডেস্ক: ভারতে আছড়ে পড়েছে করোনা ঢেউ। হাসপাতালে বেড নেই, অক্সিজেন নেই, চারিদিকে হাহাকার। ভেঙে পড়েছে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাইরের দেশ গুলিও সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে ভারতের দিকে। তবে, এর মধ্যেই ছন্দপতন। অস্ট্রেলিয়ার এক সংবাদপত্র ভারতের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ি করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে।

সোমবার ‘দ্যা অস্ট্রেলিয়’ নামে অস্ট্রেলিয়ার এক সংবাদপত্রে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটিতে ভারতের অতিমারির কারণ নিয়ে লেখা হয়েছে। প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘মোদি লিডস ইন্ডিয়া আউট অফ লকডাউন এন্ড লিডস ইনটু ভাইরাল অ্যাপোক্যালিপ্স’। যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, মোদি লকডাউন থেকে বের করে ভারতকে ভাইরাসের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মোদি সরকারের উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতাই ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ। ভারতের সংক্রমণ যখন ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী মোদি অতিমারি পরিস্থিতি মোকাবিলা না করে তাঁর সভায় মানুষের জমায়েত দেখে আনন্দিত হয়েছেন। যখন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। হাসপাতালে অক্সিজেন নেই, যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীও নেই। মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেনা। অক্সিজেনের অভাবে মানুষের নিশ্বাস আটকে আসছে তখন মোদি নিজের সভায় মানুষের ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন।

এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই সংবাদমাধ্যমকে চিঠিতে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোদি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের খতিয়ানও তুলে ধরা হয়েছে নয়া দিল্লির তরফ থেকে। বলা হয়েছে, ‘প্রতিবেদনের তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এই প্রতিবেদন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত বিশ্বের সবথেকে কঠোর ও দীর্ঘতম লকডাউন জারি করেছিল। দেশজুড়ে অল্প সময়ে দ্রুত টিকাকরণ করা হয়েছে। বিশ্বের ৮০ টি দেশকে ভ্যাকসিন এবং ১৫০ টি দেশে পিপিই কিট পাঠানো হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনা নিয়ন্ত্রণের যে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত তা বিশ্বের দরবারে প্রশংশিত হয়েছে। অথচ এই প্রতিবেদনে সেই ব্যবস্থাপনা কি অপমান করা হয়েছে।’ এছাড়া এই চিঠিতে ওই সংবাদপত্রকে নিজেদের ভুল স্বীকার করে বার্তা প্রকাশ করার কথাও জানান হয়েছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here