modi-abhishek

ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মোদীকে মিষ্টি ও কুর্তা উপহার পাঠান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় এই তথ্যই প্রকাশ্যে আনেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খোদ মোদীর মুখ থেকে এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। যদিও এই সবকে বিশেষ পাত্তা না দিয়ে মোদীর দাবিকে খন্ডন করে পাল্টা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘দিল্লি থেকে মিথ্যা কথা বলছেন উনি। যদি উনি(মমতা) পাঠিয়ে থাকেন, তাহলে আগে কেন বলেননি। বাংলার সভায় কেন বলতে পারছেন না?’

বুধবার অক্ষয় কুমারের তরফে মোদীর সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘অক্ষয় কুমারের কাছে গিয়ে কেন বলতে হচ্ছে উনি মিষ্টি পাঠিয়েছেন? যদি পাঠিয়ে থাকেন, তাহলে আগে কেন বলেননি? বাংলাতে এত জনসভা করছেন সেখানেও তো বলতে পারতেন। দিল্লি থেকে মিথ্যা কথা বলছেন, এদিকে বাংলায় এসে আরেক কথা বলছেন। মোদী বলছেন দেশের অখণ্ডতা রক্ষার কথা ওদিকে অমিত শাহ বলছেন বাংলা ভাগ করার কথা। এই ধরণের দ্বিচারিতা সিপিএমের আমলে ছিল আর এখন বিজেপির আমলে দেখছি। এঁরা আসলে মুদ্রার এপিঠ ও ওপিঠ।

এদিকে, মোদীর তুমুল বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও মমতার তরফে এই মিষ্টি উপহার বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। নির্বাচনী প্রচারে বামেদের তরফে বারে বারে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তলে তলে তৃণমূল ও বিজেপির আঁতাতের কথা। তাঁদের সেই দাবিই যে মোদীর বক্তব্যে ইন্ধন পেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্রসঙ্গে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, ‘মমতা এখানে চেঁচামেচি করেন। ওদিকে মোদী হাটে হাড়ি ভেঙেছেন। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মমতা ফুল পাঠিয়েছিলেন।’

প্রসঙ্গত, অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ওই সাক্ষাৎকার পর্বে মোদী বলেন, এক অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তা হয় তাঁদের। সেখানেই উঠে আসে মোদীর মিষ্টি প্রীতির কথা। ঢাকা থেকে প্রতি বছর মোদীর জন্য মিষ্টি পাঠাতেন হাসিনা। তা জানার পর মমতাও তাঁকে মিষ্টি পাঠানো শুরু করেন বছরে একটি বা দুটি অনুষ্ঠানে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here