ডেস্ক: আসানসোলে দলের বিদায়ী সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র হয়ে ভোট চাইতে এদিন নির্বাচনি প্রচার করলেন নরেন্দ্র মোদী। তবে অন্যান্য দিনের থেকে এদিন একটু অন্য মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। ভাষণের পরতে পরতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কটাক্ষ মিশে থাকলেও ‘জোশ’-এর খামতি ছিল কোথাও। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন জয়ের বিষয়ে যে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তাও প্রতিফলিত হয় মোদীর ভাষণে।

বিরোধীদের মহাজোট মুখ থুবড়ে পড়বে। বড় বড় রাজনৈতিক পন্ডিতরাও স্বীকার করে নিয়েছেন এ কথা। এদিন আসানসোলের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘যারা গণতন্ত্রকে হাইজ্যাক করেছিল তাদের সবক শেখানোর সিদ্ধান্ত বাংলার মানুষ নিয়ে ফেলেছে। যারা নিজেদের ক্যাডারদের কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারার জন্য উস্কানি দেয়। প্রকাশ্যে বুথ লুঠ করে, তাদের বিদায় জানাবেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। স্পিডব্রেকার দিদি কেবল মোদী আর নির্বাচন কমিশনকেই গালি দিয়ে যাচ্ছেন। জগাই-মাধাইের জোটই এই রাজ্যকে লুঠ করে নিল।’

মোদীর ভাষণে এদিন উঠে আসে কংগ্রেসের প্রসঙ্গ। পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা তৃণমূলকে খোঁচা দেন মোদী। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির নিরিখে তো এখন কংগ্রেসকেও টেক্কা দিয়ে ফেলেছে তৃণমূল।’ তৃণমূলের আসল মানে এখন হল- ননস্টপ দুর্নীতি এবং অপরাধ, দাবি করেন মোদী।

বালাকোটের এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে তৃণমূল নেত্রীর প্রমাণ চাওয়াকে একহাত নেন মোদী। ‘এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পাকিস্তানের জঙ্গিদেরও প্রমাণ চান। কিন্তু সারদা, নারদার মধ্য দিয়ে গরিবদের ইনকাম যে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে সেই প্রমাণ দেখতে চান না দিদি।’ নরেন্দ্র মোদীর মতে, ‘বাংলায় চাকরি নেই। কেউ চাকরি পেলে বেতন পাচ্ছে না। বেতন থাকলে তা বৃদ্ধি হচ্ছে না। বৃদ্ধি হলে ডিএ পাওয়া যাচ্ছে না।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here