‘আবকি বার, ট্রাম্প সরকার’! বন্ধুত্বের আমেজেই গাঢ় হল কূটনীতি, নজির গড়লেন নমো

0
290
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের বয়স প্রায় বছর পঞ্চাশেক হয়েছে৷ কিন্তু সেই সম্পর্ক এই উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কথা হয়ত কেউ কখনও ভাবেনি৷ দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সম্পর্কের এমন ধারালো চমক দেখা যায় নি ইন্দিরা গান্ধীর আমলে, বাজপেয়ীর আমলে৷ মোদী ট্রাম্পের বন্ধুত্বের এই নাটকীয়তা দেখা যায় নি মনমোহন – ওবামার অপার মিত্রতা থাকা সত্ত্বেও৷ হাউস্টনের মাটিতে গোটা বিশ্ব দেখল এক অভূতপূর্ব, অভাবনীয় দৃশ্য৷

হাউডি মোদীর মঞ্চে বন্ধুত্বের এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করলেন মোদী ও ট্রাম্প৷ তবে শুধুই কী বন্ধুত্বের প্রতিফলন গোটা বিশ্বকে দেখাতে এই প্রচেষ্টা৷ একেবারেই না৷ নেপথ্যে যে অনাবাসী ভারতীয়দের মন জয় করে সেই ভোটব্যাঙ্ককে হাতে রাখার অকল্পনীয় ট্রাম্পের কৌশল রয়েছে তা বলাই বাহুল্য৷ মোদীকে এক ঝলক দেখতে ও তাঁর দৃপ্তকণ্ঠের স্বাক্ষী হতে ভিড় জমিয়ে ছিলেন প্রায় ৫০ হাজার অনাবাসী ভারতীয়র৷ সেই ভারতীয়দের উদ্দেশে নমোর বার্তা ছিল “আবকি বার, ট্রাম্প সরকার”৷

হিউস্টনের মঞ্চের ব্যাকড্রপে লেখা, ‘শেয়ারড ড্রিমস, ব্রাইট ফিউচার্স!’ শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামনে রেখে মোদী বললেন, “উই আর এমিং হাই, উই আর অ্যাচিভিং হাইয়ার!” একথা শোনার পরই হাততালিতে ফেটে পড়ল কানায় কানায় ভর্তি এনআরজি স্টেডিয়াম৷ বলা যেতে পারে কূটনৈতিক সম্পর্ক সাধনে ইতিহাস গড়লেন নরেন্দ্র মোদী৷ তবে সাধারণ মানুষ গতকালের দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেও রাজনৈতির পর্যবেক্ষকরা এতেই আপাদমস্তক কূটনৈতিক গন্ধই পাচ্ছেন৷ সঙ্গে রয়েছে সন্ত্রাসবাদকে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে পাশে পাওয়ার আগ্রহ। তা থাকাটা তো স্বাভাবিক। কারণ ক্ষমতায় আসার থেকেই সন্ত্রাস দমন নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন ট্রাম্পও। অন্যদিকে বেজিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য লড়াইয়ে নয়াদিল্লিকে পাশে চায় ওয়াশিংটন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here