মহানগর ওয়েবডেস্ক: কয়েকদিন আগেও চাপের মুখে ছিলেন কিবু। দলের ফিটনেস খারাপ, খেলায় কোনও পরিকল্পনা নেই, ইস্টবেঙ্গল কোচের সামনে বাগান কোচ একেবারে এলেবেলে, ইত্যাদি শুনতে হয়েছিল ভিকুনাকে। কিন্তু ডুরান্ড সেমিফাইনাল থেকে যেন পরিস্থিতিটা একেবারে পাল্টে গিয়েছে। বাগান এখন অনেক ছন্দে। দলে বড় কোনও সমস্যা নেই, মোটের উপর কিবুর বাগান এখন সুখের সংসার।

একদিকে যখন ইস্টবেঙ্গলে গুমোট অন্ধকার, তখন মোহন তাঁবুতে সবুজ মেরুন আলোর রোশনাই। কারণ অবশ্যই কিবু ভিকুনা। হাসি খুশি কিবু খুব সহজেই মন জিতে নিয়েছেন সাংবাদিক থেকে সমর্থকদের। দল নিয়ে কোনো লুকোচুরি নেই, না পাওয়ার হতাশা নেই, মাঠ নিয়ে অভিযোগ নেই, আর সবচেয়ে বড় কথা, বিপক্ষকে সমীহ করতেও ভোলেন না কখনও।

এই যেমন আজ অবনমনের আশঙ্কায় ভোগা এরিয়ানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। অথচ ইস্টবেঙ্গল, পিয়ারলেস ম্যাচের থেকেও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই ম্যাচকে। কেন? উত্তর দিলেন বাগান কোচ। তার মতে, এরিয়ান অনেকটা পিছিয়ে পড়ছে লিগে। ফলে আজ তাদের তাগিদ একটু বেশি থাকবে। তিন পয়েন্ট না হোক, এক পয়েন্টের জন্য ঝাঁপাবেই এই শতাব্দী প্রাচীন দল। এরিয়ানের এই আল্ট্রা ডিফেন্সিভ খেলাকেই ভয় বাগান কোচের। তিনি জানেন, পিয়ারলেসের কাছে হেরে ইস্টবেঙ্গল যে সুবিধা করে দিয়েছে বাগানের, আজ পয়েন্ট নষ্ট করলে তা ফের খোয়া যাবে। ফলে আজ যে কোনও মূল্যে জয় চান বাগান কোচ।

আজ দুপুরে কল্যাণীর মাঠে খেলবে মোহনবাগান। নিজেদের মাঠের থেকে এই মাঠকেই বেশি পছন্দ কিবুর। কারণ মাঠের অবস্থাও ভালো, আবার সাইজেও বড়। ফলে দল অনেক ছড়িয়ে খেলতে পারে। আজ এরিয়ানের রক্ষণাত্মক খেলার সামনে কী করেন কিবু, সেটার দিকে সকলের মজার থাকবে। তবে ম্যাচের আগের দিন জোর দিলেন সিচুয়েশন প্র্যাকটিসে। দুই উইং থেকে ক্রস তুলে হেডে গোল করার অনুশীলন করাচ্ছিলেন সালভাদের। ফলে আজ যে সেটপিস থেকেই গোল পাওয়ার চেষ্টা করবে মোহনবাগান, তা সহজেই অনুমেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here