নিজস্ব প্রতিবেদক, বারাসত ও সিউড়ি: দুটি পৃথক শ্লীলতাহানির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো দুই জেলায়। একটি ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত সদর মহকুমার হাবরা থানা এলাকায় অন্যটি বীরভূম জেলার সিউড়ি সদর মহকুমার মুহাম্মদবাজার থানা এলাকায়। হাবরায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে বছর দশেকের একটি মেয়ে আর মুহাম্মদবাজারে ১৬ বছরের এক কিশোরী।

জানা গিয়েছে, হাবরা থানা এলাকার শ্রীনগর ত্রিশ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন একটি বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে থাকতেন বছর পঁয়ত্রিশের অর্চনা মিস্ত্রি। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা হলেও দীর্ঘ আট বছর ধরে তিনি বছর বিয়াল্লিশের নলিনী পালকে নিয়ে সংসার করছিলেন। অর্চনার বড় মেয়ে কাজের সুত্রে বাইরে থাকলেও বছর দশের ছোট মেয়ে তার সঙ্গেই থাকত। অভিযোগ উঠেছে, বুধবার অর্চনা যখন বাড়িতে ছিল না তখন বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে নলিনী ওই মেয়েটিকে মোবাইলে পর্নগ্রাফী দেখায় এবং তার শ্লীলতাহানি করে। পরে অর্চনা বাড়ি ফিরে মেয়ের মুখে সব শুনতে পান। বিষয়টি অর্চনা পাড়াপ্রতিবেশীকে জানালে উত্তেজিত জনতা নলিনীকে ধরে বেধড়ক মারধোর করে। পরে খবর পেয়ে হাবরা থানার পুলিশ নলিনীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাবড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। যদিও পুলিশকে নলিনী জানিয়েছে, সে চক্রান্তের শিকার হয়েছে। এই ধরনের কোন অপরাধ তিনি করেননি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অন্যদিকে মুহাম্মদবাজার থানার সেকেড্ডা গ্রামের বছর আঠারোর যুবক আকাশ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, বুধবার সন্ধ্যাবেলায় সে গ্রামেরই বছর ১৬’র এক কিশোরীর শ্লীলতাহানি করে। ওই কিশোরীর বাবার বক্তব্য, তার মেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় আত্মীয়্র বাড়ি থেকে একাই ফিরছিল। তখন গ্রামের ভিতরেই আকাশ তার পথ আটকে তার শ্লীলতাহানি করে। তার মেয়ে চিৎকার করলে আকাশ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার জেরে ওই কিশোরীর বাবা স্থানীয় থানায় অভিযোদ দায়ের করেছে। পুলিশ আকাশের সন্ধান শুরু করার পাশাপাশি ওই কিশোরীর শারীরিক পরিক্ষার জন্য সিউড়ী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here