মহানগর ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে রাফাল ইস্যুতে মোদী সরকারকে তিন প্রশ্ন ছুড়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। সে তিন প্রশ্নের উত্তর আজও আসেনি। মাঝখান থেকে হারিয়ে গিয়েছে যুদ্ধবিমান রাফালের নথিপত্র। এরই মাঝে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের মাটি শুনে ফেলেছে ফরাসি যুদ্ধ বিমান রাফাল। কিন্তু বিতর্ক তাকে ছেড়ে যায়নি আজও। নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের তরফে তোলা রাফাল ইস্যুতে যে অভিযোগ সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল সেই অভিযোগ নিয়েই এদিন ফের সরব হয়ে উঠলেন রাহুল। এদিন স্পষ্ট ভাবে তিনি জানিয়ে দিলেন রাফাল চুক্তিতে জনগণের টাকা চুরি করা হয়েছে। আর এই তথ্য সামনে আসবেই।

সম্প্রতি রাফাল যুদ্ধবিমানকে কেন্দ্র করে সর্ব ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া’র এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে এদিন। সেই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে CAG-এর তরফে রাফাল চুক্তির কোনও অডিট করা হয়নি। সংবাদ মাধ্যমের দাবি ৮ মাস আগে প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কিত সমস্ত বিষয়ের অডিট রিপোর্ট কেন্দ্রকে জমা দিয়েছে CAG। কিন্তু সেখানে রাফাল চুক্তির কোনও উল্লেখ নেই। এর কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক রাফাল সম্পর্কিত কোন তথ্য CAG কে দেয়নি। কিন্তু কেন দেওয়া হয়নি সে কারণ ব্যাখ্যায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা ড্যাসল্ট এভিয়েশন আর সেই শর্ত অনুযায়ী চুক্তি শেষ হওয়ার তিন বছর আগে পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও তথ্য কাউকে দেওয়া যাবে না। ফলে কোনও তথ্য হাতে না আসায় বিমান সম্পর্কিত খরচের কোন অডিট করতে পারেনি CAG। আর এই ঘটনাকে সন্দেহের চোখে দেখছে বিরোধী দল কংগ্রেস।

কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ওই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে শনিবার একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি সরাসরি বিজেপি সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে লিখেছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে দেশের রাজকোষ থেকে টাকা চুরি করা হয়েছে।’ পাশাপাশি মহাত্মা গান্ধীর একটি বার্তাকে তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘সত্যি একটাই এবং সেটা যে কোনও পথ ধরে প্রকাশ্যে আসবেই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here