myanmar

মহানগর ডেস্ক: মায়নামারের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যত সময় যাচ্ছে মায়ানমার সেনা বিহনীর নৃশংস মানসিকতা প্রকাশ। সেনাবাহিনীর গুলিতে ইতিমধ্যে সাত শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেনাবাহিনী গুলিতে আন্দোলনকারীদের মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করছে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীকে সেই মৃতদেহগুলো পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য অর্থ আদায় করছে বলে জানা গিয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স জানিয়েছে, সোমবার সেনাবাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই মাসের বেশি সময় ধরে মায়ানমারে সেনাশাসন চলছে। সেই সেনা শাসনের বিরোধিতা করে লক্ষ লক্ষ মায়ানমারের মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। সেনা বিরোধী আন্দোলনের জন্য মায়ানমারের সেনাবাহিনী তিন হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালায়। শহরগুলোতে তল্লাশি চালাতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করছে সেনাবাহিনী। ঘটনার জেরে শহরের বাসিন্দারা ভয় পেতে শুরু করেছেন। আশেপাশের গ্রামগুলোতে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। যাতে মায়ানমারের পরিস্থিতি বাইরে প্রকাশিত নয়, মায়ানমারে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে।

বাগো শহরের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর শহরে রাস্তার ওপরেই বাড়ি। মাঝে মাঝেই সেনা টহল দিচ্ছে। শুক্রবার সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের পর রাস্তায় মৃতদেহের স্তূপ জমা হতে শুরু করেছে। অন্য দিকে, সেনাবাহিনীর তরফে দাবি করা হয়েছে,  বাগোর সড়কে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছিল বিক্ষোভকারীরা। সেই প্রতিবন্ধকতা সরানোর সময় সেনা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা হামলা করে। সেই সময় বিক্ষোভকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড সহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে বলেও সেনাবাহিনীর তরফে অভিযোগ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here