kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, মালদা : রাজ্য পুলিশ শাসকদলের ‘দলদাস’, শাসকদলের কথায় ওঠবোস করে৷ তারা রাজনৈতিক ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে, এ যাবত বিরোধীরা পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছে৷ রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনেও গিয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি ৷ প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী বহুবার রাজ্য পুলিশকে শাসকদলের ‘দলদাস’ বলে কাঠগড়ায় তুলেছেন একাধিকবার৷ আর এবার রাজ্য পুলিশকে ‘হিজড়ে’ বলে বির্তকে জড়ালেন তাঁর দলেরই এক সদস্য৷ জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোস্তাক আলম কোচবিহারে নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রসঙ্গে এই মন্তব্যই করলেন। পাশাপাশি জেলার প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। এই মন্তব্য করার পরই মোস্তাক আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল।

আগামী ২৩ এপ্রিল মালদায় ভোট। তার আগে জেলার ডিএম এসপিকে পরিবর্তের দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু কংগ্রেসের এই দাবি কতটা মানবে কমিশন তা নিয়ে যথেষ্টই সন্দেহ রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মোস্তাক আলম বলেন,

পুলিশ সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ভয় দেখাচ্ছে। তাদের আর তাদের পরিবারের ভোট না পেলে সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে, এমন হুমকিও দিচ্ছে বলে জানান মোস্তাক আলম। তিনি আরও জানান, আমরা অনেক দিন ধরেই দাবি জানাচ্ছি। প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। কোচবিহার ভোট প্রসঙ্গে তিনি রাজ্য পুলিশকে ‘হিজড়ে’ বলে কটাক্ষ করেন।

এই প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি বাবলা সরকার বলেন, কংগ্রেস জেলায় সাইন বোর্ড হয়ে গিয়েছে। তাই উল্টোপাল্টা কথা বলছে। আমরা এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানাব। সম্প্রতি বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে কোচবিহারের পুলিশ সুপার অভিষেক গুপ্তাকে বদলি করা হয়৷ যাকে খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here