kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, নদিয়া: বছর দুয়েক আগে প্রথম শুরু হয়েছিল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। প্রেমের দাবিতে ধর্না- সেই সময় বেশ নতুনত্ব ছিল। দু-একটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল মিলতেই প্রেম এবং স্বামী বা স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার জন্য ধর্নার ঘটনা উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু হওয়া এই ‘আন্দোলন’ এরপর ছড়িয়ে পড়ে গোটা বঙ্গে। কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়িতে টানা ৩৬ ঘণ্টা ধর্না দেওয়ার পর প্রেমিককে বিয়েতে বাধ্য করান প্রেমিকা। সেই ঘটনা থিতিয়ে যাওয়ার আগে আবারও একই রকম ধর্না দেখা গেল। তবে এবারের এই ধর্না একটু অন্যরকম। নিজের বিবাহিত স্ত্রীকে ফিরে পেতে যুবক যেমন ধর্নায় বসেছেন, তেমনই বউমাকে ফিরে পাওয়ার জন্য ধর্নায় ছেলের সঙ্গী হয়েছেন মা।

kolkata news

ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার হরিণঘাটা থানা মোহনপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহনপুর গ্রামের হালদারপাড়ার বাসিন্দা বাবু মল্লিকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আছে স্থানীয় সোনাখালি এলাকার একটি মেয়ের। সেই সম্পর্কে সুবাদে একাধিকবার একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত করে। বাবু মল্লিকের দাবি, সম্পর্ক এগোতেই এরপর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের আইনি বিয়ে হয়ে গিয়েছে।

ওই যুবকের অভিযোগ, তাদের বিয়ের কথা জানতে পারার পর তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে একদম বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। দুই একবার ফোনে কথা হলেও এখন সেটা পুরোপুরি বন্ধ পরিবারের লোকজনের জন্য। এমন অবস্থায় নিজের স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার জন্য তার ধর্না ছাড়া আর কোনও পথ নেই বলে জানিয়েছেন ওই যুবক। আর এই ধরনের তিনি সঙ্গে নিয়েছেন পরিবারের সবাইকে। বউমাকে ফিরে পাওয়ার জন্য ছেলের সঙ্গে ধর্নায় বসেছেন মা-ও। বাবু মল্লিকের মা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত নিজের বউমাকে তিনি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন, ততক্ষণ এই ধর্না চলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here