রাজনীতির লড়াই ভুলে ইদ উদযাপন, মৌসমের রান্না করা খাবারেই মধ্যাহ্নভোজ সারলেন ডালু

0
164

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়, তাবলে ব্যাক্তিগত সম্পর্কে চিড় ধরবে এমনটা হতে পারবে না,  সপরিবারে নমাজ পাঠ থেকে খাওয়া দাওয়ার মাধ্যমে ইদ উদযাপনের করে একথাই প্রমাণ করলেন গনিখান চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা৷ মৌসম এদিন নিজের হাতে রেঁধে খাওয়ালেন ডালুবাবু ও তার ছেলে ইশা খান চৌধুরীকে৷ লাঞ্চ টেবিলে এদিন দেখা গিয়েছে ইশা খান চৌধুরীর স্ত্রী সায়েদা সালেগা নুর খান চৌধুরী থেকে ডালুবাবুর স্ত্রী রুথ খান চৌধুরীকও৷ ইদের ছুটিতে কলকাতা থেকে মায়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল মৌসমের দুই ছেলে মেয়ে আইমান ও আমাইরাও৷ রাজনীতির ময়দানে একে অপরের প্রতিপক্ষ গনিখান চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা৷ মামা ভাগ্নি যেমন রাজনৈতিক জীবনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চলেছেন অনবরত, তেমনই ভাই বোনও একে অপরকে টেক্কা দিতে কোনও কসুর করতে চান না৷ কিন্তু ইদের দিন সেসব আর কেউ মনে রাখেননি৷

কারণ উৎসবের দিন সব ভেদাভেদ, গ্লানি ভুলে এক হয়ে আনন্দ উদযাপনের দিন৷ এদিন একসঙ্গে নমাজ পাঠ থেকে খানাপিনায় সামিল হয়েছেন পরিবারের সকল সদস্যরাই৷ সকাল থেকেই ব্যস্ততা দেখা গিয়েছে মৌসমের মধ্যে৷ এদিন আর তৃণমূল জেলা সভানেত্রী নন, তিনি হয়ে উঠেছেন এক্কেবারে বাড়ির মেয়ে৷ যিনি একা হাতে রান্নার ভার কাঁধে তুলে নিয়ে হেঁসেল সামলেছেন সকাল থেকে৷ রান্নাবান্না সেরে টেবিল সাজিয়ে যত্নের সঙ্গে সকলকে খাইয়েছেন৷ এদিন ইদের স্পেশাল মেনুতে যেমন মালদার বিখ্যাত আমের দেখা মিলেছে, তেমনই মিস্টিও অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে৷ মৌসমের রান্না করা পঞ্চব্যঞ্জন কব্জি ডুবিয়ে খেয়েওছেন পরিবারের সদস্যরা৷ উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনে উত্তর মালদায় তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন মৌসম নুর৷ ওই একই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মামাতো ভাই অর্থাৎ ইশা খান চৌধুরী ছিলেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী৷

যদিও লড়াই জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী খগেন মূর্মু৷ রাজনীতির লড়াই ভুলে এদিন ইশা খান চৌধুরী জানান, ভোট আসবে যাবে তাবলে ব্যাক্তিগত সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে না৷ ডালুবাবুও এদিন দুই নাতির সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে খুব খুশি বলেই জানিয়েছেন৷ মৌসম জানান, রাজনীতি ও পরিবারকে মিশিয়ে ফেলি না৷ পরিবারের বন্ধন যে এখনও মজবুত প্রতিটি উৎসবেই তার প্রমাণ মেলে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here