নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজনীতি ভেদাভেদ ভুলে গোটা রাজ্য আজ উৎসবে মুখর। মহাঅষ্টমীর পূর্ণ্য তিথিতে মায়ের কাছে পুষ্পাঞ্জলির ও প্রার্থনা করছেন বাঙালি, সেই তালিকায় বাদ গেলেন না বিজেপি নেতা মুকুল রায়। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও নিজের বাড়িতে মায়ের পুজায় উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মহাঅষ্টমীর অঞ্জলিও দিলেন তিনি। মায়ের কাছে এবারে তাঁর প্রার্থনা, ‘রাজ্যে অশুভ শক্তির পরাজয় হোক, শুভ শক্তির জয় হোক।’ তবে এইবারে মুকুলের বাড়ির পুজোতে দেখা গেল এক অন্য চিত্র। সকলকে দেখা গেলেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুপস্থিত ছিলেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু। যা নিয়ে বেশ কানাঘুষো তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করার পর একদিকে যখন দিনে দিনে গেরুয়া শিবিরে দাপট বেড়ে চলেছে মুকুল রায়ের। ঠিক একইভাবে ঘাসফুলে ক্রমশ কোনঠাসা মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু। খবর শোনা যাচ্ছিল দিনে দিনে পিতা পুত্র সম্পর্ক হলেও, দুই বিরোধী দলের এই দুই নেতার বিভাজনটা বেশ ভালোরকম চোখে পড়েছে। যদিও সে প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি কেউই। উল্টে বাবার বিজেপি যোগে দলের অন্দরে বারে বারে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে শুভ্রাংশুকে। দেখতে গেলে, দলের একেবারে পিছনের সারিতে পড়ে গিয়েছেন মুকুল পুত্র। তারই এক প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠল এই দিন বাড়ির পুজোতেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুপস্থিত থাকলেন শুভ্রাংশু। যা নিয়ে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন। কোথায় গেলেন শুভ্রাংশু? রাজনীতির মাঠে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পিতা পুত্রের মধ্যে কি তবে সমস্যা শুরু হল? তবে এই সব বিষয়ে দুইপক্ষের কেউ মুখ না খুললেও, অনুমান করে নিতে খুব বিশেষ সমস্যা হয় না।

মহাঅষ্টমীর দিন পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসে পুত্র প্রসঙ্গ এড়িয়ে মুকুল বলেন, ‘মায়ের কাছে আমি প্রার্থনা করলাম, রাজ্যে অশুভ শক্তির পরাজয় হোক, শুভ শক্তির জয় হোক’। পাশাপাশি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেন মুকুল। তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তোপ দেগে মুকুল রায় বলেন, ‘উনি রাজনীতির এ বি সি ডি জানে না । তৃণমূল কংগ্রেস আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ২০ টির বেশি আসন পাবে না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here