মিথ্যা বলছেন মুকুল, তালপুর চাঁপাডাঙা তৃণমূলের, কেউ বিজেপিতে যোগ দেননি: অভিষেক

0
428

মহানগর ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠক করে মুকুল রায় ঘোষণা করেছিলেন উত্তর ২৪ পরগণা, নদিয়া, মালদায় মতো এবার হুগলী জেলার দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত উঠে সেছে তাদের হাতে যার একটি তালপুর ও দ্বিতীয়টি চাঁপাডাঙা। মুকুলের সেই দাবিকে সর্বৈব মিথ্যা প্রমাণ করে এদিন পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার দাবি, কেউ বিজেপিতে যোগ দেয়নি পুরোপুরি মিথ্যা কথা বলছেন মুকুল রায়।

নিজের যুক্তিতে এদিনের সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই অভিষেক জানান, ‘গতকাল বিজেপি সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিল আরামবাগের তালপুর চাঁপাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ জন মেম্বার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আমি সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ করব আপনারা সঠিক সংবাদ পরিবেশন করুন। বিজেপির কাজ মিথ্যা বলা। কিন্তু আপনাদের প্রশ্ন করা উচিৎ ছিল সেই ১৭ জন কারা? আজ আমার সঙ্গে ওই পঞ্চায়েতের মেম্বাররা বসে রয়েছেন যারা তৃণমূলের সদস্য। কেউ বিজেপিতে যোগদান করেনি। যিনি এই মিথ্যা প্রচার করেছেন। তাঁর মূল কাজই হল, মিথ্যা কথা বলে দিল্লিতে নম্বর বাড়ানো ও নিজের বাজার গরম করা।’ এরপরই তিনি দাবি করেন, ওই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রথান ও উপপ্রধান সহ তালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫ জন মেম্বার ও চাঁপাডাঙায় ১২। ২৭ জন আজ এখানে রয়েছেন।’ অভিষেকের কথায়, ‘আমি এদের পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করানোর জন্য আনিনি। ওনারা তৃণমূলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন।’

এর পাশাপাশি, সিঙ্গুর ইস্যুতেও মুকুল রায়কে আক্রমন করতে ছাড়েননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুদিন আগেই সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুকুল রায়ের দাবি ছিল, ‘মমতার সিঙ্গুর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ভুল সিদ্ধান্ত।’ মুকুলের এই দাবির বিরুদ্ধে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, ‘৩১ আগস্ট দেশের শীর্ষ আদালত যে রায় দিয়েছে সেই রায় কি ভুল? যদি ভুল হয় তবে সেদিন দল ছাড়েননি কেন উনি? আজ এই কথা বলে সিঙ্গুরের মানুষকে অপমান করছেন মুকুল। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ মমতা ব্যানার্জি অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উনি। পরে পিঠ বাঁচানোর জন্য সারদা নারদায় থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে।’ একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘তুমিও মানুষ আমিও, কেউ বিকিয়ে যায় টাকায় ও পিঠ বাঁচাতে। তোমার ও আমার বিরুদ্ধে পার্থক্য শিরদাঁড়াতে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here