kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিজেপি ধ্বংসের খেলায় নামছেন মুকুল রায়! অন্তত তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে এমন খবরই মিলেছে। তৃণমূলে যোগ দিয়েই ফোনাফুনি করতে শুরু করে দিয়েছেন মুকুল। সূত্রের খবর, বিজপির অন্তত ৮জন বিধায়ক ও কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ‘পাকা’ কথা হয়েছে তাঁর।

ads

২০১৭ সালে পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তেই তৃণমূলের পাট চুকিয়ে ফেলেন মুকুল। মাস দুয়েক পরে দিল্লি উড়ে গিয়ে যোগ দেন বিজেপিতে। তার পরেই নামেন তৃণমূল ভাঙানোর খেলায়। হ্যামলিনের সেই বাঁশিওয়ালার মতো তৃণমূল ভাঙিয়ে একের পর এক নেতানেত্রীকে নিয়ে গিয়ে তোলেন বিজেপির ঘরে। যার জেরে তৃণমূল কঙ্কালসার হলেও, ফুলেফেঁপে ওঠে বিজেপি। এ রাজ্যে যে দলের সংগঠন বলতে কিছু ছিল না, তৃণমূল ভাঙিয়ে সেখানেই পদ্মের সংগঠন গড়ে দেন মুকুল। বিজেপি তার সুফল ঘরে তোলে ২০১৮র পঞ্চায়েত নির্বাচন ও তার পরের বছরের লোকসভা ভোটে। এর পরেই মুকুলকে কোণঠাসা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় গেরুয়া শিবিরে। যার জেরে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে বিজেপি।

গতকাল, শুক্রবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরেন মুকুল।তার পরেই তিনি শুরু করে দেন যোগাযোগ। মুকুল ঘনিষ্ঠদের মতে, ইতিমধ্যেই মুকুল উত্তরবঙ্গের দুই বিজেপি সাংসদের সঙ্গে কথা বলেছেন। উত্তরবঙ্গেরই আরও এক সাংসদের সঙ্গেও বেশ খানিকটা কথা এগিয়েছে।

কেবল সাংসদ নন, উত্তরবঙ্গের একজন সহ রাজ্যের আট বিধায়কের সঙ্গেও কথা বলেছেন মুকুল। বাগদার বিধায়ক বিজেপির বিশ্বজিৎ দাসও বেসুরো গাইছেন গতকালের পর থেকে। তিনি বলেন, মুকুলের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। মমতা-অভিষেকের সঙ্গেও সম্পর্ক ভালো। নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিংও বলেন, মুকুলের হাত ধরেই বিজেপিতে গিয়েছিলাম। এতে ইঙ্গিত স্পষ্ট বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।             

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here