মহানগর ওয়েবডেস্ক: বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে অব্যাহত রাজনীতি। মঙ্গলবার সন্ধেবেলা অমিত শাহের রোড শো-তে চরম বিশৃঙ্খলতা এবং বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়। যার পিছনে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মূলত গেরুয়া বাহিনীকে। কিন্তু বিজেপি কোনও ভাবেই অভিযোগ মানতে নারাজ। উল্টে পুরো ঘটনা তৃণমূলের চক্রান্ত বলেই দাবি করা হচ্ছে। এই নিয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দুষলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টাকির সভামঞ্চ থেকে মুকুল বলেন, নিজেরা মূর্তি ভেঙে বিজেপির উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এদিন সকাল থেকেই অবশ্য পিঠ বাঁচাতে দফায় দফায় সাংবাদিক বৈঠক করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি। প্রথমে অমিত শাহ দিল্লি থেকে বলেন, কলেজের গেট বন্ধ ছিল এবং বিজেপি কর্মীরা কিছুই করেননি। এরপর কলকাতায় বিজেপির সদর দফতর থেকে রাহুল সিনহা বলেন, টিএমসিপির প্রাক্তনী অভিষেক মিশ্র ও তাঁর স্ত্রী স্বর্ণালিই মূর্তি। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করেন যোগী আদিত্যনাথও। তাঁর দাবি ছিল, ভয় পেয়ে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দিলীপ বলেন, যে মূর্তি ভাঙা হয়েছে তার মাথাই নেই। ফলে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে বিজেপি যে মরিয়া হয়ে উঠেছে তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মূর্তি ভাঙার প্রসঙ্গ টেনেই মুকুল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টিভিতে দাঁড়িয়ে নাটক করে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে যাদের ছবি দেখিয়েছে, তারা কেউ বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্র নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিকল্পনা করে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙিয়ে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে অমিতজি ও বিজেপিকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে।’

এরপরই সোজা জাতীয়তাবাদের ইস্যুকে হাতিয়ার করে মুকুল বলেন, আমি অনেক নির্বাচন দেখেছি। কিন্তু কোনও নির্বাচনে জাতীয়তাবাদের এরম ইস্যু নেই। পুলওয়ামায় আমাদের ছেলে মারা যাওয়ার পর আমি এই জাতীয়তাবাদ দেখেছি। মোদীজির আদেশে আমাদের বায়ুসেনা জঙ্গিদের মেরে আসার পর মমতা বলছে, প্রমাণ কই, প্রমাণ কই। পাকিস্তান এখনও জঙ্গিদের লাশ গুনছে, আর মমতা বলছে আমি লাশ দেখব।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here