FotoJet-103

ডেস্ক: অনেক সহ্য করা হয়েছে, আর নয়। বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের প্রথমে অপমান ও পরে অপ্রাসঙ্গিক দাবি তুলে ধর্নায় বসা নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনে ‘লিখিত অভিযোগ’ দায়ের করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। সূত্রের খবর, সোমবারই মুকুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে এই লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

মুকুলের সঙ্গে আরিজের সংঘাত বহুদিন ধরেই। কিন্তু সেই সংঘাত চরম আকার নেয় প্রথম দফা ভোট শুরুর কিছুদিন আগে। কমিশন দ্বারা নিয়োগ করা রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের সঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠকের সময়। আরিজ আফতাবের উপস্থিতিতে বৈঠক করবে না বলে জানিয়ে দেয় মুকুলের নেতৃত্বাধীন বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিবেক দুবের সামনেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ‘শাসকদলের দালাল’ বলে অপমান করেন মুকুল। তখন তর্ক না বাড়িয়ে বৈঠক কক্ষ ত্যাগ করেন আরিজ।

এখানেই শেষ নয়। কোচবিহার ও অলিপুরদুয়ারে প্রথম দফা ভোটের পর কমিশনে গিয়ে নতুন নাটক শুরু করেন মুকুল। আরিজ আফতাবের ঘরে গিয়ে চা খেয়ে দেয়ে তাঁর ঘরের মেঝেতেই ধর্নায় বসে পড়েন মুকুল। দাবি, ২৭০ বুথে পুনর্নির্বাচন করতে হবে। এমনকি কমিশনের বাইরে বসেও তারা স্লোগান তোলেন যে, নির্বাচন কমিশনের অফিস নাকি তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে।

এবার তাই প্রত্যাঘাত এল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে। দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে তা লিখে জানিয়েছেন আরিজ আফতাব। সূত্রের খবর, বিজেপি নেতার আচরণ নিয়ে বেজায় চটেছে কমিশন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সোমবারই নেতাদের আচরণ বিধি লঙ্ঘন করা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই যোগী আদিত্যনাথ, মায়াবতী, আজম খান ও মানেকা গান্ধীর প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন। আরিজ আফতাবের পদক্ষেপ কেও এর পরোক্ষ প্রভাব হিসেবে দেখা যেতেই পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here