ডেস্ক: মায়ানমার ছেড়ে আপাতত বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গা অধিবাসীরা। কিন্তু বিতর্ক যেন এখনও তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের একটি রিপোর্টে সম্প্রতি রোহিঙ্গা জঙ্গিদের নিয়ে পেশ করা হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আমনেস্টি নামক এই সংস্থার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে মায়ানমার ছেড়ে আসার আগে রাখাইন প্রদেশে ৯৯ জন হিন্দুকে নির্মমভাবে হত্যা করে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা। মৃতদের মধ্যে ১০ মহিলা ছাড়াও সামিল ছিল ২৩ জন শিশু। সকলেরই গলা কেটে হত্যা করে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা।

রোহিঙ্গাদের জঙ্গি সংগঠন আরাকান স্যালভেশন আর্মিই রাখাইনে এই হত্যালীলা চালিয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। অভিযুক্ত এই আর্মি যদিও নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। কিন্তু রাখাইন প্রদেশে যে হিন্দুদের গণহত্যা হয়েছিল সেই প্রমাণ পাওয়ার পরই এই রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। হিন্দুদের উপর অত্যাচার ছাড়াও মায়ানমার সেনাও যে রোহিঙ্গাদের অত্যাচার করেছিল সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। হিন্দুদের হত্যা করার এই ঘটনার পরই মায়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে আক্রান্ত হয়ে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয় তারা।

রোহিঙ্গা জঙ্গিদের এই হত্যালীলায় মূল শিকার ছিল হিন্দু নারী এবং শিশুরা। এছাড়াও অগণিত পুরুষদেরও হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত বহু রোহিঙ্গা ও হিন্দুদের কথাই এবং মায়ানমারে রাখাইন প্রদেশের জরিপ করেই এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আমনেস্টি। মানবাধিকার সংগঠনের এই দলের দাবি, রাখাইনের মংডু’র উত্তরে আনুক খামং সেক নামক গ্রামে নির্মমভাবে হিন্দুদের হত্যা করে রোহিঙ্গার জঙ্গি সংগঠন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here