ডেস্ক: শনিবার থেকে নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে বস্তাবন্দি অবস্থায় নর্দমা থেকে উদ্ধার হল সাংবাদিকের মা এবং শিশু কন্যার দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে নাগপুরের পবনসূত নগরে। সাংবাদিকের নাম রবিকান্ত কাম্বলে, তিনি মূলত অপরাধমূলক সাংবাদিকতা করতেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক মুদি দোকানীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ মাস বয়সী নাতনি রাশিকে নিয়ে শনিবার বিকেল ৫টা নাগাদ বেড়াতে বার হন রবিকান্তের মা ঊষা সেবাক্রম কাম্বলে। কিন্তু অনেক সময় কেটে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পুলিশের দ্বারস্থ হন রবিকান্ত। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, শেষবার তাদের গণেশ সাহু নামক এক মুদি দোকানীর কাছে দেখা গিয়েছিল। এরপর গণেশের গাড়ি এবং বাড়িতে রক্তের ছোপ দেখতে পাওয়ায় পুলিশের সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে খুনের কথা স্বীকার করে নেয় গণেশ।

পুলিশকে গণেশ জানিয়েছে, ঊষাদেবীর সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে তাঁর বচসা শুরু হলে ঊষা নাকি খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন। এরপর নিজেকে সামলাতে না পেরে গণেশ তাঁর মাথা দুবার জোরে দেওয়ালে ঠুকে দেয়। মাটিতে পড়ে ঊষা চেঁচামেচি শুরু করেন। তখন তাঁর গলা কেটে দেয় সে। তাই দেখে ছোট্ট রাশি কেঁদে উঠলে তার গলাও কেটে দেয়। এরপর দেহ দুটিকে বস্তাবন্দি করে নর্দমায় ফেলে দিয়ে আসে সে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here