pm-modi-in-ghaziabad_759ebd22-507b-11e9-b593-df9071890b8d

ডেস্ক: একটা মাত্র টুইট, যার জেরে একধাক্কায় স্তব্ধ হয়ে যায় কয়েক কোটি ভারতবাসীর হৃদয়। এবার কী হবে, সেটা ভেবেই গলদঘর্ম অবস্থা হয়েছিল নোটবন্দির কারণে ভুক্তভুগি কয়েক লক্ষ মানুষের। শেষ অবধি নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে এসে মোদী জানান, প্রথমবার ভারত মহাকাশে এলইও স্যাটেলাইট ধ্বংসকারী এ-স্যাট মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে, এবং তাতে সফল হয়েছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দেশবাসী।

কিন্তু, মোদীর এই ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে ঘিরে ধরেছে বিতর্ক। আদর্শ আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরও মোদী কী ভাবে এই ভাষণ দিতে পারেন এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়। মোদীর বিরুদ্ধে নালিশের ঝোলা নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয় বিরোধী দলগুলি। তাদের অভিযোগ, ওই ঘোষণা করে নির্বাচনে আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙেছেন মোদী। বিরোধীদের একগুচ্ছ অভিযোগ পাওয়ার পরই কমিশন জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপটি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী আদৌ নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একটি কমিটিও গঠন করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে মোদী এই ঘোষণা করে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কিনা।

কিন্তু এ সবের মধ্যেই অন্য একটি খবর সাড়া ফেলে দিয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’ সূত্রে জানানো হয়েছে, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার জন্য কোনও রকমের অনুমতি বা সম্মতি নেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেনি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। সাংবাদিক বৈঠক করে বিষয়টি নাকি জানিয়েছেন খোদ ডেপুটি নির্বাচনী কমিশনার সন্দীপ সক্সেনা। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করার আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুমতি বা সম্মতি কিছুই চাওয়া হয়নি প্রধানমন্ত্রীর তরফে। এরপরই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here