যোগাযোগের আশা ক্ষীণ, বিক্রমের খোঁজ নিতে আজই শেষ চেষ্টা চালাবে নাসার লুনার অবিটার

0
1093
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: চাঁদে রাত ঘনিয়ে এল বলে। ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে ইসরোর। লুনার ডে শেষ হয়ে এসেছে চাঁদে। ফলে অন্ধকার নামার পর আর কোনও উপায় থাকবে না। এরই মধ্যে বিক্রমের খোঁজে এদিন নাশ্যানাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিসট্রেশন (নাসা)-র অরবিটার চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডারের কাছে পৌঁছে যাবে বলে জানা গিয়েছে।

মূলত বিক্রমের অবস্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতেই নাসা এই উদ্যোগ নিয়েছে। গত দশ দিন ধরে পৃথিবীর সঙ্গে যংযোগ হারিয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম৷ এবার তাই নাসা দায়িত্ব নিয়েছে যদি কোনও ভাবে বিক্রমের সঙ্গে কোনও রকম সংযোগ স্থাপন করা যায়। চন্দ্রযানের অরবিটার বিক্রমের থার্মাল ছবি তুললেও এর পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশদে কিছুই জানাতে পারেনি। নাসা নিজের লুনার অবিটারের মাধ্যমে আরেকটু কাছে থেকে পরিস্কার ছবি তোলার চেষ্টা চালাবে। গত কয়েক বছর ধরেই চাঁদের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন সময়ে নাসাকে নানা ছবি ও তথ্য দিয়ে সাহায্য করে এসেছে এই অরবিটার। কিন্তু এই প্রথম চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নিজেদের অরবিটারকে পাঠাবে ইসরো।

ইসরোর নিজস্ব অরবিটারের অপেক্ষায় নাসার অরবিটারের ক্যামেরা আরও উন্নত প্রযুক্তির। ফলে নাসার ক্যামেরায় বিক্রমের অবস্থান আরও ভালভাবে বোঝা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়ার পর বিক্রমের কতটা ক্ষতি হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত অজানা। বিক্রমের বুকে থাকা ‘প্রজ্ঞান’ও যে বেরিয়ে নিজের স্বাভাবিক কাজ শুরু করতে পারেনি সে সম্পর্কেও একপ্রকার নিশ্চন্ত বিজ্ঞানীরা। অরবিটারের কক্ষপথের দুরত্ব কমিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠের কাছে নিয়ে যায় কিনা তা নিয়ে অবশ্য চিন্তা-ভাবনা চলছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, সেটা হলে ফলাফল আরও বিপজ্জনক হতে পারে। চাঁদের মাটির যত কাছে অরবিটার যাবে, তার জ্বালানি তত কমবে এবং সময়কালও কমে আসবে। ফলে সেই পরিকল্পনাকে আপাতত ঠান্ডা ঘরে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে। নাসার পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ইসরোকে এই উদ্যোগে বিভিন্নভাবে সাহায্য করা হচ্ছে। নাসা বিক্রম ল্যান্ডারের ল্যান্ডিংয়ের জায়গার ছবি পাঠাতে চলেছে ইসরোকে। যা এই গবেষণায় বড়সড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here