national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: আগামীকাল অর্থাৎ ৫ এপ্রিল রাত নয়টার ৯ মিনিটের জন্য সব অন্ধকার করে শুধুমাত্র মোমবাতি, প্রদীপ বা টর্চ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশবাসীর কাছে। আসলে সকলের মধ্যে একটা সংহতির ভাব গড়ে তোলার জন্যই এই ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জনতা কার্ফুর দিন যেভাবে সবাই থালি বাজাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন, এবারও এই ব্ল্যাক আউটের ডাকে সবাই সাড়া দেবেন বলেই আশা। কিন্তু এত বড় দেশে যদি নয় মিনিটের জন্য ব্ল্যাক আউট হয়ে যায়, তাহলে পাওয়ার গ্রিড গুলোর ওপর বাড়তে পারে চাপ, ফলে তা বসে যাওয়ার একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আসলে সেন্ট্রাল ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটরি অথরিটি (CERA) অনুযায়ী সাধারণ অবস্থায় পাওয়ার গ্রিডগুলির ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের পারমিশেবল রেঞ্জ ৪৯.৯৫ থেকে ৫০.০৫ হার্জ। কিন্তু হঠাৎ করে এই পাওয়ার ফ্লোর কোনও তারতম্য হলে বসে যেতে পারে এই গ্রিডগুলো। ফলে সারা দেশেই বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে। তবে সেই পরিস্থিতি যাতে না আসে তাই পাওয়ার সিস্টেম অপারেশন কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সকল গ্রিড ম্যানেজারদের তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে সরকারি এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘এমনিতেই সারা দেশে লক ডাউনের ফলে বিদ্যুতের চাহিদা কমে গিয়েছে। ফলে পাওয়ার গ্রিডগুলির ওপর একটা চাপ পড়ছে। এখন সারা দেশে ব্ল্যাক আউট হলে আরও চাপ পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু যেহেতু আমরা জানি যে কখন এই ব্ল্যাক আউট হবে, তাই সেইমতো আমরা তৈরি থাকতে পারবো।’

উল্লেখ্য, লক ডাউনের ফলে দেশব্যাপী বিদ্যুতের চাহিদা অনেকটাই কমে গিয়েছে। গত বছর যেখানে এই সময় বিদ্যুতের চাহিদা ১৬৮.৩২ গিগা ওয়াট ছিল, সেখানেই এই বছর তা ২৫ শতাংশ কমে ১২৫.৮১ গিগা ওয়াট হয়ে গিয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই পাওয়ার সিস্টেম অপারেশন কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে দেশের পাঁচটি রিজিওনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার ও ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ব্ল্যাক আউটের সময় গ্রিড ফ্রিকোয়েন্সি কমে তা বসে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতে। তবে আধিকারিকদের আশা যেহেতু নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ব্ল্যাক আউট হবে, তাই হঠাৎ গ্রিড বসে যাওয়া থেকে আটকাতে পারবেন কর্মীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here