২ মাস বন্দি, ফারুক ও ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রতিনিধিরা

0
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ১৫ সদস্যের ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রতিনিধি দল দেখা করল দলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা ও নেতা ওমর আবদুল্লার সঙ্গে৷ প্রতিনিধিরা পৌঁছানোর পর ফারুক ও তাঁর স্ত্রী মলি তাঁদের অভ্যর্থনা জানান৷ ২ মাস পর ফারুকের সঙ্গে এদিন প্রথম তাঁর স্ত্রীরও দেখা হয়৷ ফারুক এগিয়ে এসে হাসি মুখে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান৷ কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে রাজনৈতিক নেতাদের গৃহবন্দি করা হয়৷ প্রায় ২ মাস পর তাঁদের সঙ্গে দেখা করলেন দলের নেতারা৷ পাবলিক সেফটি আইনে তাঁদের আটক করা হয়েছে৷ ফারুক, ওমর শুধু নন, এখনও পর্যন্ত উপত্যাকার প্রায় সব রাজনীতিকই গৃহবন্দি বা আটক রয়েছেন। ওই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পঞ্চায়েত স্তরে নির্বাচন হওয়ার মুখে এই ছাড়পত্র বিশেষ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার সঙ্গে সাক্ষাতের পর আকবর লোন এবং হুসেন মাসুদি জানান, তাঁর স্বাস্থ্যের খবর নিতেই যাওয়া হয় সেখানে। রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। উল্লেখ্য, ন্যাশনাল কনফারেন্স স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই নির্বাচনে তাঁরা অংশগ্রহণ করছেন না। তাঁদের প্রায় সব নেতাই রয়েছেন জেলে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি জম্মুর রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিয়েছে কেন্দ্র। সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে, রাজ্যপালের উপদেষ্টা ফারুক খান জানান, কাশ্মীরের ক্ষেত্রে দফায় দফায় রাজনীতিকদের মুক্তি দেওয়া হবে।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেবেন্দ্র সিং রানা৷ তিনি ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করেন হরিনিবাসে৷ ৫ অগস্ট তাঁকে গৃহবন্দি করার পর এই প্রথম তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন দলের নেতা৷ পরে রানা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে হলে, আগে নেতাদের মুক্ত হওয়া প্রয়োজন৷ গত ৫ অগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের ঠিক আগের দিন রাতেই ফারুক এবং ওমরকে আটক করে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। ফারুককে শ্রীনগরেই তাঁর বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। রাজ্য প্রশাসনের গেস্ট হাউস হরি নিবাসে আটক করে রাখা হয় ওমরকে। অন্য দিকে, পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান মেহবুবা মুফতি এবং জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর পিপলস কনফারেন্স-এর চেয়ারম্যান সাজ্জাদ লোন-সহ কাশ্মীরের আরও বহু রাজনীতিকের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয় রাজ্য প্রশাসন। সম্প্রতি জম্মুর রাজনীতিকদের মুক্তি দিয়েছে সরকার। কাশ্মীরের রাজনীতিকদেরও একে একে মুক্তি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সময় মতো ওমর, ফারুক এবং মেহবুবা মুফতিদের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে রাজ্যে ‘রক্তবন্যা’ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here