ডেস্ক: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আজাদ হিন্দ ফৌজের স্রষ্টা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মৃত্যু রহস্য নিয়ে বিতর্ক কাটছে না কিছুতেই। সরকারের দাবি অনুযায়ী নেতাজির মৃত্যু ১৮ আগস্ট ১৯৪৫ সাল তাইওয়ান বিমান দুর্ঘটনায়। তবে তাঁর মৃত্যুর ৭৫ বছর পর সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন নেতাজির প্রপৌত্র সোমনাথ বসু। তাঁর দাবি, ওই দিন ওই সময়ে যে বিমানে নেতাজির মৃত্যুর খবর ছড়ানো হচ্ছে সেই বিমান আকাশে ওড়েইনি। এমনকি নেতাজির মৃত্যু তদন্তের জন্য শাহনয়াজ আয়োগ নামে যে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয় তাঁদের তথ্যও পুরোপুরি মিথ্যা।

শুধু তাই নয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে নেতাজি পরিবারের এই সদস্যের দাবি, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু আমার ঠাকুরদা সুরেশ চন্দ্র বসুকে ওই ভুয়ো রিপোর্টে সম্মতি প্রদান করতে বলেছিল। কিন্তু তিনি এই কাজ করতে রাজি হননি। তখন ওনাকে প্রধানমন্ত্রী প্রলোভন দেখান, যদি এই কাজ তিনি করেন তবে ওনাকে প্রচুর সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে সরকারের তরফে।’ শুধু তাই নয়, তাঁর আরও দাবি, একমাত্র অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকার ২০০৫ সালে নেতাজির মৃত্যু নিয়ে সঠিকভাবে তদন্তের চেষ্টা করে যেখানে বিমান দুর্ঘটনার তথ্যকে মান্যতা দেওয়া হয়নি। এবং ২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর প্রথম নেতাজির কিছু গোপল ফাইল মানুষের সামনে আনা হয়।

নেতাজির প্রপৌত্র সোমনাথ বসুর তরফে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, ‘সরকারের উচিৎ নেতাজির শেষ সময় কিভাবে কেটেছে তা জানা। একজন সেনা নায়কের অপমান কোনওভাবেই সহ্য করা উচিৎ নয় সরকারের। তাঁর দাবি, এতদিন ধরে বিকৃতভাবে দেশবাসীর সামনে প্রকাশ করা হচ্ছে নেতাজির মৃত্যু ইতিহাসকে। ভারতের সমস্ত পাঠ্য পুস্তকে নেতাজির সম্পর্কে দেওয়া ভুল তথ্য মুছে দিয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করা হোক।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here