national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পরিস্থিতি গোটা বিশ্বকে ত্রস্ত করে রেখেছে এখনও। প্রায় ছয় মাস অতিক্রান্ত হলেও করোনাভাইরাস আটকানোর জন্য ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। এরই মাঝে ফের একটি ভাইরাস ঘুম কেড়েছে গবেষকদের। এটির উৎপত্তিও সেই চিন থেকে। চীনের বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, নতুনভবে সোয়াইন ফ্লু ছড়াচ্ছে, যা পরবর্তী ক্ষেত্রে আরও একটি অতিমারির আকার ধারণ করতে পারে। 

চীনের গবেষকরা জানাচ্ছেন, মূলত শুয়োর থেকে এই ভাইরাস ছড়ালেও মানুষ থেকে মানুষ এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা হচ্ছিল, যেহেতু শুয়োর থেকে এই ভাইরাস ছড়ায় তাই শুয়োরের সংস্পর্শে কোন মানুষ এলে তার শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমন ঘটতে পারে। কিন্তু মানুষ থেকে মানুষের সংক্রমণ হতে পারে কিনা সেই নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু নতুন গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, এই ভাইরাস খুব তাড়াতাড়ি নিজের চরিত্র বদলে মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। সেই প্রেক্ষিতে খুব সহজেই শুয়োর থেকে মানুষ এবং তার পরবর্তী ক্ষেত্রে মানুষ থেকে মানুষের সংক্রমণ হতে পারে। চীনের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নতুন রকম সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের নাম ‘জি৪’। 

বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের পরিচিত এইচ ওয়ান এন ওয়ান ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাস যদিও এর চরিত্র কিছুটা আলাদা। গবেষকদের একাংশের মতে, আগের ভাইরাসটিই চরিত্র বা জিনের গঠন বদলে নতুন রূপে ফিরে এসেছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ভাইরাসটির উপসর্গ জ্বর, সর্দি কাশি এবং শ্বাসকষ্ট। অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এবং করোনা ভাইরাসের মত একই উপসর্গ এই সোয়াইন ফ্লুতে। এই তথ্য সামনে আসার পর আতঙ্ক আরো বহু পরিমানে বেড়ে গেল। কারণ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এখনো সামলে উঠতে পারেনি বিশ্ব। তার মাঝেই যদি এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আরো একটি অতি মারি আসন্ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here