kolkata news

Highlights

  • শুক্রবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয় কলকাতা পুরসভায়
  • টালা ব্রিজের বিকল্প রাস্তা সহ, কাঁটাপুকুর থেকে মাঝেরহাট সেতু পর্যন্ত বিকল্প রাস্তা নির্মাণের বৈঠক
  • শহরের একাধিক ব্রিজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মেয়র

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কাশিপুর ব্রিজ, টালা ব্রিজের বিকল্প রাস্তা সহ, কাঁটাপুকুর থেকে মাঝেরহাট সেতু পর্যন্ত বিকল্প রাস্তা নির্মাণের মত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে শুক্রবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয় কলকাতা পুরসভায়। পুরসভা, কেএমডিএ ও পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম খোদ । এদিন বৈঠকে শুধুমাত্র এই চারটে ব্রিজ নিয়েই নয়, শহরের একাধিক ব্রিজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মেয়র।

টালা ব্রিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্রিজের বিকল্প হিসেবে ফুটব্রিজ বানিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছিল স্থানীয়রা। কিন্তু সেই দাবি যে পূরণ হবে না তা এদিন স্পষ্ট করে দেন মেয়র। এ বিষয়ে মেয়র জানান, ‘মাঝেরহাট ব্রিজে দুটো লাইন রয়েছে তাতেই রেল অনুমতি দিচ্ছে না রাস্তা তৈরির। আর টালা ব্রিজের নীচে ১৩টি লাইন গিয়েছে রেলের। সেক্ষেত্রে তো অনুমতি দেবে না রেল। তবে বেশ কয়েকটা রাস্তায় ইতিমধ্যেই ঠিকঠাক করে দেওয়া হয়েছে পূর্ত দফতরের তরফে। আরও কয়েকটা রাস্তা ঠিকঠাক করা হবে।’

তবে টালা ব্রিজের ক্ষেত্রে সম্ভব না হলেও মাঝেরহাট সেতুর বিকল্প যে বিকল্প রাস্তা তৈরি হবে তা এদিন ঘোষণা করেন ফিরহাদ হাকিম। মেয়র জানান, ‘মাঝেরহাট ব্রিজের পাশে যে ডায়মন্ড হারবার রোডের দিকে যে রাস্তা গিয়েছে সেটা অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখতে চাইছে রেল। কাঁটাপুকুর দিয়ে রাস্তা বানিয়ে গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারের দিকে ওঠা যায় এমন একটা রাস্তা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তবে মাঝের হাট সেতু তৈরির বিলম্বের জন্য এদিন তিনি রেলের গাফিলতিকেই দায়ী করেন। মেয়রের অভিযোগ, তারা ব্যবস্থা নিতে চাইলেও মাঝেরহাট ব্রিজ নিয়ে রেল এখনো অনুমতি দিতে টালবাহানা করছে। তবে এই বিষয়ে মুখ্যসচিব স্তরে আলাপ-আলোচনা চলছে বলেই এদিন জানান তিনি।

অন্যদিকে, টালা ব্রিজ বন্ধ থাকায় ওদিকের কোন কোন রাস্তায় পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কোন কোন রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সেই নিয়েও আজকের বৈঠকে আলোচনা‌ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি কাশিপুর ব্রিজ নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। কিন্তু এই ব্রিজ নিয়ে যেহেতু রাজ্য সরকারের একটি কমিটি রয়েছে তাই এই বিষয়ে পুরসভা কিছু করতে পারবেনা। তবে এটা যেহেতু রেলের অধীনস্ত এই ব্রিজ তাই রেলকে দ্রুততার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করার আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠান হবে বলে জানান মেয়র। প্রসঙ্গত, কাশিপুর ব্রিজের তলায় ২০০ জন থাকে যাদের পুনর্বাসন দেওয়ার জায়গা নেই পুরসভার তরফে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here