বিক্রমের সঙ্গে আর যোগাযোগ হল না, এখন লক্ষ্য গগনযান, জানালেন ইসরো প্রধান

0
405
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ডেডলাইন শেষ৷ ইসরো চন্দ্রযান ২ এর ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারল না৷ ১৪ দিনের মধ্যে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষীণ আশা ছিল৷ তাও শেষ হয়ে গেল৷ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর রহস্যভেদে মহাকাশযান পাঠিয়েছিল ইসরো৷ সফট ল্যান্ডিংয়ের কয়েকমুহূর্ত আগে ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ এরপর বিক্রমের খোঁজ মিললেও আর যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি৷ এখন ইসরোর সমানে লক্ষ্য গগনযান৷ ইসরো প্রধান কে সিভান বলেন, চন্দ্রযান ২ এর অর্বিটার খুব ভালো কাজ করছে৷ প্রতিটা যন্ত্র খুব ভালোভাবে কাজ করছে৷ কিন্তু আমরা ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারিনি৷ একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এখন আমাদের প্রধান কাজ হল ল্যান্ডারের সঙ্গে কী হয়েছিল, তা খুঁজে বের করা৷ এরপর আমাদের অগ্রাধিকার গগনযান৷

ইতিহাস ছুঁয়ে ফেলার কয়েক মুহূর্ত আগেই বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন৷ সফট ল্যান্ড করতে ব্যর্থ হয় ল্যান্ডার৷ এখন ইসরোর সামনে লক্ষ্য গগনযান৷ হাল না ছেড়ে আবার নতুন স্বপ্নে বুঁদ ইসরো৷ সম্পূর্ণ ভেস্তে যায়নি চন্দ্রযান ২ মিশন৷ এখন গগনযানে সওয়ার হয়ে এবার ভারতীয় মহাকাশচারী পাড়ি দেবেন মহাকাশে৷ গগনযাত্রার জন্য ১২ জন পাইলটকে প্রথম পর্যায়ে বেছে নিয়েছে ইসরো৷ এরপরই মাথাচাড়া দিয়েছে এই প্রশ্ন, কী এই মিশন? এর সঙ্গে চন্দ্রযান ২ এর কোনও সম্পর্ক আছে? ইসরো ইতিমধ্যে বলে দিয়েছে, ২টি একেবারে স্বতন্ত্র মিশন৷ ২০০৪ সাল থেকে থাকে এ নিয়ে প্রস্তুতি চালাচ্ছে ইসরো৷ ইসরোর পরিকল্পনা কমিটির কাছে শুরুতে এ ব্যাপারে কোনও নির্দিষ্ট সময়রেখা ছিল না। তবে ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেন, ২০২২ সালে মহাকাশে যাবে ভারত৷

গগনযান হল একটি ভারতীয় মানববাহী মহাকাশযান৷ এটা একটা ম্যানড মিশন৷ সেইসঙ্গে এটা হিউম্যান স্পেসফ্লাইট প্রোগ্রামেরও অংশ। মহাকাশযানটি তিন জনকে বহন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে৷ প্রথম মানব অভিযানে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মূলত ৩.৭-টনের (৮,২০০ পাউন্ড) ক্যাপসুলটি তিন ব্যক্তিকে নিয়ে মহাকাশে আরোহণ করে সাত দিন পর্যন্ত ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here