ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনের গতি ততই বাড়াচ্ছেন বঙ্গ বিজেপির ‘চাণক্য’ মুকুল রায়। তিনি নিজে দল ছেড়ে যাওয়ার পর এ যাবত সম্ভবত সবথেকে বড় উইকেট ফেললেন শাসকদের। ভাটপাড়ার চারবারের দৌর্দণ্ডপ্রতাপ বিধায়ক ছাড়াও এলাকার ডাকসাইটে নেতা ছিলেন তিনি। দাবি ছিল সুস্পষ্ট, ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন লড়তে তাঁকে টিকিট দিতে হবে। বর্তমান সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকে নয়। কিন্তু মমতা আস্থা রাখেন দীনেশেই। ফলে অর্জুনকে হারাতে হয়।

তবে খেলা এখানেই শেষ নয়। তালিকায় আরও বহু নামই রয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার বলেছেন মুকুল। এদিনও তিনি বলেন, এটা সিনেমার ট্রেলার। আসল সিনেমা বাকি। তৃণমূল হোক বা কংগ্রেস, এমনকি সিপিএমও- কাউকেই দলে নিতে সমস্যা নেই মুকুলের। উদ্দেশ্য, যেভাবেই হোক বাংলার বুকে বিজেপির সংগঠন মজবুত করা। সেই উদ্দেশ্য সাধনে কিছুটা সফলও হয়েছেন তিনি। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল ত্যাগী সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও অনুপম হাজরা। পদ্ম ধরেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন ছাত্রনেতা শঙ্কুদেব পণ্ডাও। এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন অর্জুন সিং। শোনা যাচ্ছে এবার আরও তিন বিধায়কের ঠিকানাও হতে চলেছে বিজেপি।

সূত্রের খবর, অর্জুনের পর মুকুলের টার্গেটে রয়েছেন এই বিধায়করা। এবার যারা বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তারা হলেন, বাগমুণ্ডির কংগ্রেস বিধায়ক নেপাল মাহাতো ও পুরুলিয়ার কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়। এমনকি নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিংও বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বলে খবর। অর্জুন সিং-এর টিকিট আপাতত ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে পাক হয়ে গিয়েছে বলা চলে। মনে করা হচ্ছে আগামী সময়ে বাকি এই দুই বিধায়কও বিজেপিতে যোগ দিয়ে লোকসভা নির্বাচনে লড়ার টিকিট পেতে পারেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here