nirbhaya case news

Highlights

  • পূর্ণ শান্তি পাচ্ছেন না নির্ভয়ার মা-বাবা
  • নাবালক ছিলাম, দাবি এক ধর্ষকের
  • সময় নষ্ট করার চেষ্টা
  • ব্যাপক অসন্তুষ্ট নির্ভয়ার মা

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দিল্লির দূষণ মেরে ফেলবে, ফাঁসির কী দরকার? এমনই অদ্ভুত দাবি জানিয়ে আগেই ফাঁসি থেকে পালাতে চেষ্টা করেছিল নির্ভয়াকাণ্ডের পিশাচরা। মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করে নির্ভয়া ধর্ষক ও খুনি অক্ষয় কুমার সিং। তার আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিমো কোর্ট। প্রাথমিক পর্যায়ে শীর্ষ আদালতের রায়ে খুশি হলেও পূর্ণ শান্তি পাচ্ছেন না নির্ভয়ার মা-বাবা। অন্য এক দোষী এখন ফের দিল্লি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করেছে, ঘটনার সময় সে নাকি নাবালক ছিল, তাকে রেহাই দেওয়া হোক! এর বিরুদ্ধে একবার ফের আদালতের দারস্থ হয়েছেন নির্ভয়ার মা আশাদেবী।

দিল্লি হাইকোর্টে নতুন আর্জি পেশ করেন নির্ভয়ার মা। তাঁর অভিযোগ, পবন কুমার ইচ্ছাকৃত ভাবে সময় নষ্ট করার চেষ্টা করছে। নির্ভয়ার মায়ের সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে আদালতে। গোটা ঘটনা নিয়ে ভেঙে পড়েছেন তিনি। আশাদেবীর কথায়, বারংবার দোষীদের অধিকার নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, তাঁর অধিকারের দিকে কারও নজর নেই। উল্লেখ্য, অপরাধীর ‘ডেথ ওয়ারেন্ট’ জারি করে ১৪ দিনের মধ্যে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন নির্ভয়া মা। এই মামলার শুনানিতে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট দোষীদের আইনি পন্থার যাবতীয় তথ্য তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষের থেকে জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি, আর্জি জানানোর প্রক্রিয়া সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বলে জানিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে দোষীদের চূড়ান্ত নোটিসও দিয়েছে তিহাড় কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে আবার অন্য এক দোষীর আবেদন, সব মিলিয়ে ব্যাপক অসন্তুষ্ট নির্ভয়ার মা।

প্রসঙ্গত, গতকাল আদালতে অক্ষয়ের আইনজীবী দাবি করে, ‘মহিলাদের ধর্ষণ অত্যন্ত খারাপ। কিন্তু এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন? অপরাধের গোড়ায় পৌঁছে সমাধান করা উচিত। মৃত্যু কোনও সমাধান হতে পারে না। যদিও ধর্ষকের আইনজীবীর আবেদনের পাল্টা জবাব দেয় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তিনি বলেন, ‘এই ধরণের অপরাধ মানবতার জন্য লজ্জাজনক। মেয়েটিকে শত চেষ্টা সত্ত্বেও বাঁচানো যায়নি। ঈশ্বরও বোধহয় তাঁর যন্ত্রনা দেখে চোখের জল ফেলেছে। তা সত্ত্বেও এখনও এই ধরনের রাক্ষসরা এখনও বেঁচে রয়েছে। এদের কোনওভাবেই ক্ষমা করা উচিত নয়।’ তুষার মেহেতার বক্তব্যেই এদিন শীলমোহোর দেয় আদালত। খারিজ করা হয় মৃত্যুদণ্ড রোধের আবেদন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here