ডেস্ক: না, দৈবাৎ কোনও কিছুই ঘটল না শুক্রবারের সাংসদ ভবনে। সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ভাবেই লোকসভায় খারিজ হয়ে গেল বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব। গতকাল ১২ ঘন্টার আলোচনার পর রাত ১১ টা নাগাদ শুরু হয় অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটি। আর সেখানে রীতিমতো ধরাশায়ী বিরোধী দল।

শুক্রবারের এই ভোটাভুটিতে সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩২৫ জন সাংসদ এবং বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ১২৬ জন। এই অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট দিয়েছেন মোট ৪৫১ জন সাংসদ। বহু বিরোধী নেতাই ভোট দেননি এই অনাস্থা প্রস্তাবে। এমনকি বিরোধীদের হাতে যে পরিমাণ সাংসদ ছিল তা দিয়ে বিজেপি হারানো রীতিমতো কঠিন ছিল। হার নিশ্চিত জেনেও কেন অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল বিরোধীরা? যার উত্তর অবশ্য দিলেন নরেন্দ্র মোদী।

নিজের ভাষণে এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজের শক্তি পরীক্ষা করে নিতেই এই অনাস্থা এনেছিল বিরোধীরা।’ এরপর রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী হব বলে বলে বেড়াচ্ছে একজন, অন্যদলগুলি যাতে সেই প্রস্তাবে স্বীকৃতি দেয় তার জন্য চলছে অদম্য চেষ্টা। এই প্রস্তাব আসলে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের অজুহাত।’ এরপরই কংগ্রেসকে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সম্ভাব্য সঙ্গীদের পরীক্ষা নিন। কিন্তু অনাস্থা প্রস্তাব আনা উচিত হয়নি। সম্ভাব্য সঙ্গীদের উপরে ভরসা রাখুন। ১২৫ কোটি দেশবাসীর আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে’।

উল্লেখ্য, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল এনডিএরই প্রাক্তন শরিক দল টিডিপি। সর সেই প্রস্তাবে সঙ্গ দিয়েছিল কংগ্রেস। এই প্রস্তাবকে ঘিরেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। তবে প্রাক্তণ কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছিলেন আমাদের কাছে যথেষ্ট সংখ্যা আছে। সোনিয়া গান্ধীর বক্তব্যের পাল্টা খোঁচা দিয়ে বিজেপি বলে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রীকে অঙ্কে কাঁচা। এদিনের ভোটাভুটির শেষে হাসিটা হাসল বিজেপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here