bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কাকভোরে পুলিশের গুলিতে নিকেশ হয়েছে হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ডের ৪ অভিযুক্ত। যদিও পুলিশি এনকাউন্টারের পর এই ঘটনায় দ্বিধা বিভক্ত দেশ। কারও দাবি, গণতন্ত্র এড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে পুলিশ। ওদিকে পাল্টা অন্যপক্ষের দাবি, ধর্ষকদের উপযুক্ত শাস্তি হয়েছে। এহেন দ্বিধা বিভক্ত পরিস্থিতির মাঝেই এবার বেশ কড়া সুর শোনা গেল দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের গলায়। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, ‘কোনও ভাবেই ক্ষমা নয় ধর্ষকদের। পাষণ্ডদের ক্ষমার আবেদন কোনও ভাবেই গ্রহন করা হবে না।’

এদিন দেশজুড়ে একের পর এক নাবালিকা ধর্ষণ ইস্যুতে মুখ খুলে শুক্রবার দেশের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নাবালিকা ধর্ষণের জেরে পক্সো আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষমার আবেদন কোনওভাবেই গ্রহন করা হবে না।’ তাঁর কথায়, ‘দেশের মহিলাদের নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নাবালিকা ধর্ষণ কাণ্ডে পক্সো আইনে দোষী সাব্যস্তদের কোনও অধিকার নেই ক্ষমার আবেদন করার।’ এদিন দেশের রাষ্ট্রপতির এহেন মন্তব্যের কারণ অবশ্য ২০১২ সালে দিল্লিতে ঘটা ভয়ঙ্কর নির্ভয়া কাণ্ড। সেই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে থাকা ৪ অভিযুক্তের মধ্যে একজন ক্ষমার আবেদন জানিয়েছে দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর ভিত্তিতেই এদিন রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কোনও ক্ষমা নয় ধর্ষকদের।

এদিকে রাষ্ট্রপতি যখন ধর্ষণ ইস্যুতে কড়া অবস্থান নিয়েছেন ঠিক সেই দিনই নিকেশ হয়েছে হায়দরাবাদের চিকিৎসক দিশা(নাম পরিবর্তিত) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার অভিযুক্তরা। গত ২৯ নভেম্বর হায়দরাবাদের এক সেতুর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল বছর পঁচিশের ওই তরুণী চিকিৎসকের দগ্ধ দেহ। পরে জানা যায় গণধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। নৃশংস এই ঘটনায় সাড়া পড়ে যায় গোটা দেশে। দোষীদের ফাঁসির দাবিতে সরব হয় শাসক বিরোধী সব পক্ষই। তদন্তে নেমে হায়দরাবাদ পুলিশ গ্রেফতার করে ৪ ট্রাক চালক মহম্মদ আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন এবং চিন্তকুন্ত চেন্নকেশভুলুরকে। শুক্রবার পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় তাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here