international news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বাঙালির গর্বের আরেক নাম এখন অবশ্যই অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। অমর্ত্য সেনের পর একমাত্র বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়ে তো বটেই, সেই নোবেল নেওয়ার মঞ্চে উঠেই আরও উঁচুতে তুলে ধরলেন বাঙালির তথা বাংলার সম্মান। সুইডেনের স্টকহোম কনসার্ট হলে যখন অভিজিৎ এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত হলেন, তাঁদের দেখে আপামর বাঙালির জুড়িয়ে গেল চোখ। কারণ, অভিজিতের পরনে ছিল ধূসর পাঞ্জাবির উপর গলাবন্ধ কালো কোট আর সোনালি পাড়ের সাদা ধুতি, এবং তাঁর স্ত্রী এস্থার সজ্জিত ছিলেন মেরুন ব্লাউজ ও সবুজ শাড়িতে।

অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে প্রথমেই ডাকা হল অভিজিৎ বিনায়ককে। তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠতেই গোটা হল ধ্বনিত হল করতালিতে। সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্ল গুস্তাফের কাছ থেকে তিনি নিলেন নোবেল পদক এবং শংসাপত্র। প্রথমে সম্ভাষণ জানালেন রাজাকে, তার পর নোবেল পুরস্কারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যালফ্রেড নোবেলের মূর্তিকে এবং সব শেষে উপস্থিত অতিথিদের। অভিজিতের পরেই নোবেল পুরস্কার নিলেন তাঁর স্ত্রী এস্থার এবং সবশেষে অন্য এক বিজয়ী মাইকেল ক্রেমার। ধুতি পরিহিত বাঙালির নোবেল প্রাপ্তি দেখে প্রত্যেক বাঙালি আজ গর্বে উৎফুল্ল।

বাংলা তথা নাম বাঙালির নাম উজ্জ্বল করেও অভিজিৎ বিনায়ককে কটুক্তি শুনতে হয়েছিল বৈকি। বিজেপির তরফে তাঁকে কটাক্ষ করে বলা হয়েছিল তিনি নাকি পুরো বাঙালি নন, অর্ধেক! বঙ্গ বিজেপির তাবড় নেতার দাবি ছিল, বিদেশীকে বিয়ে করে নোবেল পাওয়াই যায়। এই ধরণের অত্যাশ্চর্য মন্তব্য শুনে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া দেননি নোবেল জয়ী। বলা ভাল, প্রতিক্রিয়া দেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেননি তিনি। এদিন নোবেল প্রাপ্তির অনুষ্ঠানে সব নিন্দুকদের গালে কষিয়ে থাপ্পড়টা এইভাবেই মেরে দিলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এস্থার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here