news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: লাদাখ এবং উত্তর সিকিম সীমান্তে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনা সেনার দ্বন্দ্ব ইতিমধ্যেই উত্তেজনা বাড়িয়েছে দুই দেশের মধ্যে। গত দুই সপ্তাহ ধরে উদ্বেগ ক্রমশ বেড়েছে এই দুই সীমান্তে। ইতিমধ্যেই সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। অন্যদিকে নিজেদের সেনাকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য ইতিমধ্যেই তৈরী থাকতে বলেছে বেজিং সরকার। সব মিলিয়ে দুই দেশ যে একে অপরের জন্য জমি ছাড়বে না তা বলাই বাহুল্য। যদিও শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছে চিন। তাদের তরফে জানানো হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। গোটা বিষয়ের প্রেক্ষিতে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। তাঁর মন্তব্যে তোপ দাগলেন প্রতিবেশী দেশকে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, ‘নরেন্দ্র মোদীজির ভারতের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারে না’! এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে চলা চলতি দ্বন্দ্বের বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়। সেই প্রশ্নের উত্তরেই চিনকে কার্যত একহাত নিলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে লাদাখ এবং উত্তর সিকিম সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। চিন তো ছিলই, এদিকে নেপাল সরকারের পক্ষ থেকেও ভারতের বিরুদ্ধে একের পর এক মন্তব্য করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তা বলাই বাহুল্য। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সীমান্ত নিয়ে বৈঠকও তার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ভারত এবং চিনের মধ্যে দ্বন্দ্বের স্পষ্ট তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারকে সামনে আনার আর্জি জানিয়েছেন কংগ্রেস সংসদ রাহুল গান্ধী।

ভারত-পাকিস্তান জম্মু কাশ্মীর সীমান্ত ও লাদাখ সীমান্ত নিয়ে ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তেজক পরিস্থিতি নিয়ে আজ থেকে শুরু হল সেনাবাহিনীর বৈঠক, চলবে তিন দিন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে এই বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনা নিয়েই মূলত এই বৈঠক ভারতীয় সেনাবাহিনীর।

কমপক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে লাদাখ এবং উত্তর সিকিম সীমান্তে চীন এবং ভারতীয় সেনার মধ্যে অকাঙ্ক্ষিত দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় দুবার হাতাহাতি পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে দুই সেনার মধ্যে। উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার এতদিন পরেও পরিস্থিতি ইতিবাচক হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা দেয়নি।

লাদাখ এবং উত্তর সিকিম সীমান্ত তো ছিলই, একইসঙ্গে চিন নেপাল নিয়েও ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক। তাদের দাবি ছিল, ভারতের বিরুদ্ধে নেপালকে উস্কানি দিয়ে সংঘাতের চেষ্টা করছে চিন। ইতিমধ্যেই ভারতের কিছু অংশ নেপাল তাদের বলে দাবি করেছে। একইভাবে সিকিমের অংশে নজর পড়েছে চিনের। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি সামলাতে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ত ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সরকার। চিনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে যে কেন্দ্রীয় সরকার কোন দ্বিধাবোধ করবে না তা স্পষ্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here