kolkata news
Highlights

  • করোনা নয়, রেসপিরেটরি ট্র‍্যাক ইনফেকশনে আক্রান্ত ছিলেন কেরল ফেরত ময়নাগুড়ির বাসিন্দা
  • সুস্থ থাকায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে দিলেন জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রমেন্দ্রনাথ প্রামানিক
  • আতঙ্কের জেরে গত ১৫ মার্চ ট্রেন থেকে ময়নাগুড়ি স্টেশনে নেমে বাড়ি ফিরতে গেলে তাকে গ্রামে ফিরতে মানা করা হয় প্রতিবেশীদের তরফে


নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি:
করোনা নয়, রেসপিরেটরি ট্র‍্যাক ইনফেকশনে আক্রান্ত ছিলেন কেরল ফেরত ময়নাগুড়ির বাসিন্দা। সুস্থ থাকায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে দিলেন জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রমেন্দ্রনাথ প্রামানিক। কেরলে নির্মাণ কর্মীর কাজ করতে গিয়ে জ্বর আর কাশিতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে ফোন করেছিলেন ময়নাগুড়ি পানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা তাপস কুমার পাল।

তার ফোন পেয়ে ঘাবড়ে যায় বাড়ির লোক। ছেলে প্রশান্ত কুমার পাল বাবাকে আনতে রওনা দেন কেরল। এই খবর ছড়িয়ে পড়ে গ্রামে। শুরু হয় করোনার আতঙ্ক। আতঙ্কের জেরে গত ১৫ মার্চ ট্রেন থেকে ময়নাগুড়ি স্টেশনে নেমে বাড়ি ফিরতে গেলে তাকে গ্রামে ফিরতে মানা করা হয় প্রতিবেশীদের তরফে। এরপর তাকে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় ময়নাগুড়ি হাসপাতালে। সেখান থেকে রেফার করে দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর তাকে ওষুধ দিয়ে বাড়িতেই পৃথক ভাবে থাকার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনায় জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রমেন্দ্রনাথ প্রামানিক জানান, তাপস কুমার পাল নামে ওই রোগীর করোনা নয়, রেসপিরেটরি ট্র‍্যাক ইনফেকশন হয়েছে। তাই তাকে আমরা প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে বাড়িতেই বিচ্ছিন্ন ভাবে থাকার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়ি জেলাতে কারও মধ্যে করোনা ভাইরাস বা তার উপসর্গ কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। জেলা জুড়ে স্বাস্থ্য কর্মী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রচার চালাচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here