kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর দিনাজপুর:  ঘটকালির টাকাকে কেন্দ্র করে ঘটকের হামলা। ঘটনার জেরে গুলি চলল। উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর থানার রাজুবস্তি এলাকায় এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার জেরে গুলি ও বোমাবাজিতে ইসলামপুর থানার চিটকুন মোড় বাজার এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম পাত্রপক্ষের পরিবারের তরফে ইসলামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে তৃণমূল নেতার সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সরব খোদ তৃণমূল প্রধান। যদিও ঘটনার পেছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই বলে গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধানের দাবি।

জানা গিয়েছে, ইসলামপুর থানার গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজুবস্তি এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ আলমু তাঁর ছেলে সমিরুল আলমের বিয়ের জন্য ঘটক আমিরুলকে জানিয়েছিলেন। আমিরুল পাত্রী দেখেছিলেন। তবে ঘটকালির ৩৫ হাজার টাকা দাবি করলে মহম্মদ আলমু বিয়েতে অরাজি হন। গরিব মানুষ, এত টাকা দিতে পারবেন না বলে বিয়েই হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন মহম্মদ আলমু। এরপরই আমিরুল ও মাটিকুণ্ডা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝলঝলির বাসিন্দা তথা তৃণমূল নেতা কাশিম দলবল নিয়ে মহম্মদ আলমুকে চিটকুন মোড় বাজার এলাকায় আটকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আলমুকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। কাশিমের স্ত্রী ববিতা বিবি মাটিকুণ্ডা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য।

ঘটনার খবর পেয়ে আলমু তিন ছেলে তাঁকে বাঁচাতে এলে আমিরুল ও কাশিম-সহ তাদের লোকজন ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় আলমু-সহ প্রায় ১০ জন জখম হন বলে জানা গিয়েছে। জখমদের মধ্যে আলমু ছেলে সমীর আলমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইসলামপুরের এক নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। তবে টাকার অভাবে সমীর আলমকে নার্সিংহোম থেকে ছুটি করিয়ে আনা হয়। বর্তমানে সে বাড়িতেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়চ্ছে।

অন্যদিকে, গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকেও আলমু পাশে দাঁড়ানোর জন্য মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে প্রধান মহম্মদ রইসুদ্দিনের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে রাজুবস্তির বাসিন্দারা আতঙ্কিত। পাশাপাশি আতঙ্কের জেরে প্রায় বন্ধ চিটকুন বাজার। এবিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here