নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্যসভার একটা সাংসদ পদ নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট থাকতে হবে মুকুল রায়কে! অন্তত তৃণমূল সূত্রে এমন খবরই মিলেছে। এক সময় তিনিই ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দিন কয়েক আগে ওই পদে বসানো হয়েছে অভিষেককে। তাই মুকুলকে আপাতত রাজ্যসভার ‘ললিপপ’ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

২০১৭ সালে মহা পঞ্চমীর দিন তৃণমূলের পাট চুকিয়ে মুকুল যোগ দেন বিজেপিতে। তার পর তৃণমূলের ঘর ভাঙানোর নেশায় মাতেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। মুকুলের এই ভাঙন খেলায় আখেরে ফুলেফেঁপে ওঠে বিজেপি। যে রাজ্যে তাঁদের মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজতে হত, লোকসভা নির্বাচনে সেখানেই ১৮টি আসন পায় গেরুয়া শিবির। গেরুয়া শিবিরের একটা বড় অংশই এর যাবতীয় ক্রেডিট দেন মুকুলকে। এর পরে দলে ক্রমেই কোণঠাসা করা হতে থাকে মুকুলকে। যার ফলশ্রুতিতে শুক্রবারের বারবেলায় সপুত্র ঘরওয়াপসি হল মুকুলের।

প্রশ্ন হল, তৃণমূলে কোন পদ পাবেন তিনি? তৃণমূল সূত্রে খবর, আপাতত কোনও পদ তিনি পাচ্ছেন না। কারণ বিজেপিতে যাওয়ার আগে ইস্তক মুকুল ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি। দিন কয়েক আগে ওই পদে বসানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বয়স না থাকায় তাঁকে বসানো যাবে না যুবর কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদেও। তাছাড়া, সেখানেও ইতিমধ্যেই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে।

অগত্যা মুকুলকে আপাতত দলের সাধারণ কর্মী হয়েই কাজ করতে হবে। তবে মুকুলের অনুগামীদের খুশি করতে রাজ্যসভার সাংসদ করা হতে পারে তাঁকে। সেক্ষেত্রে মুকুলকে ইস্তফা দিতে হবে বিধায়ক পদে। এক সময় দলে যে গুরুত্ব পেতেন মুকুল, আপাতত তার কোনও সম্ভাবনাই নেই বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here