ডেস্ক: পাসার চালটা ঘুরে গেল, অফিস অফ প্রফিট ইস্যুতে ২০ জন আম আদমি পার্টির বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছিল, তাতে স্বস্তি পেল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। এদিন দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বিধায়কদের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত বাতিল হল।

২০১৫ সালে প্রশান্ত পটেল নামে এক আইনজীবী রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগে আপ বিধায়কদের সংসদীয় সচিব পদে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যেখান থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। তাঁর দাবি ছিল, সংসদীয় সচিবের পদে রয়েছেন আপের ২০ জন বিধায়ক। সেখান থেকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন তাঁরা। সংবিধান অনুযায়ী, ‘অফিস অব প্রফিট’ অর্থাৎ কোনও জনপ্রতিনিধি লাভজনক সরকারি পদে বসতে পারবেন না। কিন্তু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ২০১৫-র মার্চে ওই বিধায়কদের সংসদীয় সচিব পদে নিয়োগ করেন। আপ যুক্তি দেখায়, পদটি লাভজনক নয়, কারণ এ থেকে কোনও আর্থিক প্রাপ্তি হয় না। তবে নির্বাচন কমিশনের এহেন সুপারিশে শোরগোল শুরু হল দিল্লি রাজনীতিতে। তারপরই রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয় নির্বাচন কমিশন।

যার দুই দিন পরেই রাষ্ট্রপতির তরফ থেকেও ওই ২০ জন আপ বিধায়ককে খারিজ করায় সম্মতি দেওয়া হয়। এরপরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আপ বিধায়করা। আদালতে বিধায়কদের তরফে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে সম্পূর্ণ রুপে ন্যায় বিরুদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের সামনে তাঁদের পদ ব্যাখ্যা করার কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে বিধায়কদে তরফে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here