kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : তিন বছরের মাথায় লোকসভা নির্বাচন। ছন্নছাড়া কংগ্রেস। অভ্যন্তরীণ অশান্তির জেরে বিরোধী ঐক্যও দানা বাঁধেনি সেই অর্থে। এমতাবস্থায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আঁকড়ে ধরে তৃতীয় ফ্রন্টের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন বিরোধীরা।
২রা মে ফল ঘোষণা হয় বিধানসভা নির্বাচনের। হ্যাটট্রিক গড়ে নবান্নের কুর্সিতে ফেরেন মমতা। বিপুল জনাদেশ নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীত্বের পদ অলঙ্কৃতও করেন তিনি। মমতার জয়ে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদির বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের মুখ তিনিই বলে ইতিমধ্যেই ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন বিরোধীদের কেউ কেউ।

পাল ছেঁড়া নৌকার মতো দশা জাতীয় কংগ্রেসের। হাল ধরার তেমন শক্তপোক্ত মাঝির এখনও খোঁজ পাননি(নাকি খোঁজেননি) সোনিয়া গান্ধির দল। তাই অসুস্থ শরীরেও কংগ্রেসের ভাঙা নৌকা টেনে নিয়ে চলেছেন সোনিয়া। প্রধান এই বিরোধী দলকে বাদ দিলে বাকি বিরোধীরা এক হচ্ছেন কই?
গত লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে একটা চেষ্টা হয়েছিল তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের। সে সম্ভাবনা অবশ্য অঙ্কুরেই বিনাশ পায়। সেই সময়ও মমতাকে ঘিরে স্বপ্নের উড়ান শুরু করেছিলেন বিহারের লালুপ্রসাদের ছেলে তেজস্বী, উত্তর প্রদেশের মায়াবতী, অখিলেশ, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরে, কাশ্মীরের ফারুক ও তাঁর ছেলে ওমর আবদুল্লা।

তার পরেও শেষতক স্বপ্ন সফল হয়নি কারও। এর মূল কারণ অবশ্যই অখিলেশ এবং মায়াবতীর অন্তর্দ্বন্দ্ব। বুয়া-ভাতিজার যে দ্বন্দ্বের কারণে দিল্লিতে মমতার ডাকা বিরোধীদের বৈঠক বাতিল হয়ে যায়।
বিরোধীদের এই ছন্নছাড়া দশায়ই কার্যত ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে বেরিয়ে যায় বিজেপি। দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন মোদি।
এবার তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথ গ্রহণের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হতেই তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখার জন্য ব্যাকুল হন তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। তা নিয়ে একটি ছবিও ভাইরাল হয়। এখন দেখার, ২০২৪শে দিদির দিল্লি বিজয় সম্ভব হয় কিনা!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here