bemgali news on tihar

 

Highlights

  • তিহাড় জেলে দুশ্চিন্তায় বিনয়
  • সবথেকে বেশি সাজা পেয়েছে জেলের মধ্যে
  • বারবার জেলের নিয়ম ভেঙেছে বিনয়

মহানগর ওয়েবডেস্ক: নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষীর ফাঁসি ২২ জানুয়ারি হচ্ছে না। দোষী মুকেশ সিং-এর প্রাণভিক্ষার আর্জি রাষ্ট্রপতি খারিজ করে দেওয়ার পর আরও ১৪ দিন সময় দোষীদের দিতে হবে। এই ১৪ দিনের মধ্যে দোষীরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবে। পূজার্চনা বা অন্যকোনও কাজ করতে চাইলে করতে পারবে। এদিকে ফাঁসির শাস্তির বদলে যাতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় সেই চেষ্টাই বার বার করে যাচ্ছে তিহাড় জেলে বন্দী নির্ভয়ার চার দোষী। একদিকে যখন চার দোষীর ফাঁসির শাস্তি এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা সেই জায়গায় জেলের মধ্যে দোষীদের আচরণ সংক্রান্ত বেশকিছু বিষয় সামনে আসছে। এ প্রসঙ্গে জানা গেছে, কোন দোষী বিগত সাত বছরে কেমন ব্যবহার করেছে, কে সবথেকে বেশি সাজা পেয়েছে। কে সবথেকে বেশি নিয়ম ভঙ্গ করেছে। আর কে সবথেকে বেশি টাকা রোজগার করেছে।

তিহাড় জেলে বন্দী বিগত সাত বছরে বিনয় শর্মাকে সবথেকে বেশি শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এরপরই পবন কুমার ও মুকেশ সিংকে দণ্ডিত করা হয়েছে। সবথেকে কম দণ্ডিত করা হয়েছে অক্ষয় ঠাকুর সবথেকে কম সাজা পেয়েছে জেলের ভেতরে। জেল কর্মীদের বক্তব্য জেলের ভেতরে অন্যান্য বন্দীদের সঙ্গে মারামারি বা আধিকারিকদের আদেশ না মানার জন্য সাজা দেওয়া হয়।

নির্ভয়ার চার দোষীর মধ্যে বিনয় শর্মা সবথেকে উত্তেজনা ছড়াত। জেলবন্দী হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত ১১ বার জেলের নিয়ম ভঙ্গ করেছে। এইনিয়ে জেল প্রশাসন বিনয়কে শাস্তি দিয়েছে। পবনকে ৮ বার ও মুকেশকে ৩ বার সাজা শুনিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।

জেলসূত্রে খবর, কারাগারে থাকাকালীন অক্ষয়, পবন ও বিনয়ও কাজও করেছিল। এর পরিবর্তে কারা প্রশাসন তাদের পারিশ্রমিক দিয়েছে। দোষীদের মধ্যে অক্ষয় সবচেয়ে বেশি মজুরি পেয়েছে। অক্ষয় এখনও পর্যন্ত আয় করেছে ৬৯ হাজার বিনয় ৩৯ হাজার পবন ২৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছে। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, যে অ্যাকাউন্টে বন্দীদের উপার্জিত অর্থ রাখা হয় সেটিকে বন্দী কল্যাণ বলা হয়। কারা প্রশাসন এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি যে দোষীদের উপার্জিত পারিশ্রমিক তাদের হাতে দেওয়া হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত দোষীদেরই নিতে হবে। দোষীরা কোনও সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের উপার্জিত অর্থ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই তিহাড়ের জেলের ৪ নম্বর কামড়ায় থাকা বিনয় ভীষণই দুশ্চিন্তায় রয়েছে। মৃত্যুভয় সবথেকে বেসি তাড়া করে বেড়াচ্ছে বিনয়কেই। ঘুম ছুটেছে বিনয়ের আর খালি নিজের ব্যারাকে পায়চারি করে বেড়াচ্ছে বিনয়। জেল প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে বিনয়ের কাউন্সিলিং করা হচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here